ভাঙড়ে জমি কমিটিকে মনোনয়নে বাধা। আক্রান্তদেরই জেল?

0
7

ভাঙড়ে জমি আন্দোলনের কমিটির সমর্থিত প্রার্থীরা শুক্রবার  মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন। এর প্রতিবাদ করেন আন্দোলনের সমর্থক বেশ কয়েকজন। যাদের মধ্যে MKP নেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য সহ বেশ কয়েকজনকে পুলিস গতকালই গ্রেফতার করে। শনিবার আদালত তাদের ৫ দিনের জন্য পুলিস হেফাজতে পাঠিয়েছে।

শুক্রবার তাদের প্রর্থীরা যে বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দেবেন তাও জানানো হয়েছিল, কিন্তু তবুও শাসক দলের গুন্ডা বাহিনির প্রচন্ড দাপটে শুক্রবার মনোনয়োন দিতে পারলেন না জমি কমিটির প্রর্থীরা।জমি কমিটির নেতা মির্জা হাসান এদিন জানান তাঁরা বিডিও অফিসে পৌঁছুনোর পরেই তাঁদের প্রর্থীদের উপর চড়াও হয়ে প্রচন্ড মারধোর শুরু করে তৃণমূলের গুন্ডারা।পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা নেয় বলে মির্জা হাসান অভিযোগ করেন,তাঁর আরও অভিযোগ বার বার বলা সত্ত্বেও বিডিও তাঁদের নমিনেশন কপি নিতে সম্মত হন নি।শাসক দলের গুন্ডামির প্রতিরোধ করেও তাঁরা নমিনেশন দেওয়ার জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার পরেও কেন তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়োন নেওয়া হল না সে প্রশ্নের কোন উত্তর প্রশাসন দিতে পারে নি বলে জমি কমিটির নেতারা জানিয়েছেন।তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডা বাহিনি যে পুরোপুরি প্রশাসনের মদতে হামলা চালিয়েছে সে অভিযোগ করে মির্জা হাসান বলেন,রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়ে তাঁরা কোন বাধাঁর মুখে পড়েন নি,১৪৪ ধারা জারি থাকায় নরুপদ্রপে তারা বিড়িও অফিসে ঢুকে পড়েন,সেখানেই তাঁদের উপর আক্রমন শুরু হয়।সরকারি কার্যালয়ের মধ্যে যে ভাবে দুষ্কৃতীরা আশ্রয় নিয়ে ছিল তাতেই পরিষ্কার প্রশাসনই এই হামলাকে মদত দিচ্ছে।হামলার পর কমিটির বেশ কয়েকজনকে কাশীপুর থানায় নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে নিয়ে যাওয়া হয়,সেখানে কমিটির নেতাদের দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ।বেশ কয়েকজন কমিটির সদস্য আজকের হামলায় আহত হয়েছ্ন বলে জমি কমিটির নেতা মির্জা হাসান অভিযোগ করেন।আজকের এই হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়ার কথা ভাবছে ভাঙড়ের জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি।হামলাকে প্রতিরোধ করেই তারা মনোনয়োন দেবেন বলেই কমিটির সিদ্ধান্ত,তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা মিটিং করেই স্থির করবেন বলে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।