সলমনের জামিন, বাঁচল সবাই!

0
7

২ রাত জেলে থাকার পর জামিন পেলেন সলমন খান। সব দিকই রক্ষা হল। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হল। সেলিব্রিটিও বাঁচল। আর সব থেকে বড় কথা হল সামনেই রাজস্থানে বিধানসভার ভোট, তাই সলমনের জেলে যাওয়াতে খুশি বিষ্ণই সম্প্রদায়ের  ভোটেও কব্জা করা গেল। কিন্তু কেন এই কথা বলছি?

 রাজস্থানের দায়রা আদালত কুড়ি বছর আগেকার এক মামালার রায় গত ২দিন আগে আচমকা ঘোষণা করল ও পাঁচ বছরের জন্য সলমন খানের মতো এক প্রভাবশালী অভিনেতাকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদন্ডের আদেশ দেয়। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কিছু।  কারণ সলমনের বিরুদ্ধেই ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এক ব্যক্তিকে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই মামলাতেও ২০১৫ সালের ৬ মে  নিম্ন আদালতের বিচারক সলমনকে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ বছরের সাজা শুনিয়েছিলেন । কিন্তু সেই দিনই বোম্বে হাইকোর্টে জামিন পান সলমন। নগর দায়েরা আদালতের সাজা ঘোষণার পর, হাইকোর্ট কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সলমনের জামিন মঞ্জুর করে।কয়েক বছর আগেকার এই ঘটনার পর অভিযোগ উঠেছিল জেলা আদালতের রায়ের কপি না পড়েই অতি দ্রুত অভিনেতার জামিন মঞ্জুর করা হয়েছিল। পরে বোম্বে হাইকোর্ট সলমনকে বেকসুর খালাসও দেয়। এর বিরোধিতা করে  সু্প্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। মানুষ হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও  সঙ্গে সঙ্গে জামিন মেলে( পরে বেকসুর খালাস!)  সেখানে কেন হরিণ হত্যার দায়ে দোষী হলে তা মিলল না ?আর এই প্রশ্নের সূত্র ধরেই কিছু বিষয় সামনে আসছে,জানা যাচ্ছে রাজস্থানের বৈষ্ণই সমাজের মানুষ জনেরা কৃষ্ণসার হরিণকে দেবতা বলে জ্ঞান করেন। সেই হরিণ হত্যাকারীকে তাঁরা পাপী মনে করেন সেই পাপীর শাস্তি তাদের একান্ত কাম্য। সলমনের শাস্তি ঘোষণার পর রাজস্থানের বৈষ্ণয়ী সম্প্রদায়ের মানুষজনেরা এই অভিনেতার আর বেশী শাস্তি হওয়া উচিত ছিল বলে প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করেছেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে।এই সম্প্রদায়ের মানুষেরা রাজস্থানের কিছু অংশে ভোটে জয়-পরাজয়ের নির্ধারক।কারোর কারোর তাই আশঙ্কা গোটা বিষয়টা সেই ভোটের অংক মাথায় রেখেই হল না তো?কারণ আর কয়েক মাসের মধ্যেই তো রাজস্থানে বিধান সভার ভোট হতে যাচ্ছে।