গড়চিরোলিতে পুলিসের সঙ্গে ‘সংঘর্ষে’ নিহত মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে ৩৯

0
15

মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলিতে দুটি পৃথক ঘটনায় কাসানসুর এলাকায় পুলিসের গুলিতে নিহত  মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৯। ndtv এর রিপোর্ট অনুযায়ী রবিবারের ‘সংঘর্ষে’র পর বুধবার আরো দুটি দেহ ভাসতে দেখা যায় নদীতে।  এর আগে দ্য হিন্দ্যুর রিপোর্ট অনুযায়ী সোমবার আরো ১৫জন মাওবাদীর দেহ ভাসতে দেখা যায় ইন্দ্রাবতী নদীতে। পুলিস দাবি করেছিল রবিবার তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে অন্তত ১৬জম মাওবাদী। রবিবারই ১৬জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিস। অন্যএকটি ঘটনায় সোমবার( ২৩ এপ্রিল) গড়চিরোলির জিমালগাট্টায় নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে নিহত হন ৪ মহিলা সহ ৬জন মাওবাদী। পুলিসের দাবি এটিও সংঘর্ষই ছিল।

  রবিবার সকাল ৯ টা নাগাদ হওয়া ‘সংঘর্ষে’ নিহতের মধ্যে রয়েছেন মাওবাদীদের ২জন ডিভিশনাল কমিটিরও সদস্যও। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী নাগপুর থেকে ৩৫০ কিমি দূর ছত্তিশগড় মহরাষ্ট্র সীমানার এক গ্রামে C 60 ও CRPF এর যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অুনযায়ী মাওবাদীরা তখন সকালের জলখাবার খাচ্ছিলেন। সেই সময় চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে পুলিস ও আধাসামরিক বাহিনীর লোকজন। যদিও পুলিসের দাবি আত্মসমপর্ণ করতে বলার পরও মাওবাদীরা গুলি চালায় পাল্টা গুলিতেই নাকি নিহত হয়েছেন ১৬জন মাওবাদী। মাওবাদী ও আধাসামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ এদেশে নতুন নয়। কিন্তু এত বড়  ‘সংঘর্ষে’ পুলিস বা আধাসামরিক বাহিনীর একজনের আহত হওয়ার রিপোর্ট না থাকায় প্রশ্ন উঠছে ঘটনাটি ভুয়ো সংঘর্ষের নয় তো?  মাও নেতা আজাদের নিহত হওয়ার জেরে হওয়া মামলায় ২০১১ সালে  সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল দেশের সন্তানদের(মাওবাদীরাও ) হত্যা করার অধিকার প্রজাতন্ত্রের নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণের কি কোন অর্থ আছে সরকারের কাছে?