নভজ্যোত সিং সিধুকে জেলে পাঠাতে চাইছে কেন পাঞ্জাব সরকার?

বিষয়টা বেশ গোলমেলে। পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে যে নভজ্যোত সিং সিধুকে জেলে পাঠানো হোক। ১৯৮৮ সালে ২৭ ডিসেম্বর পাতিয়ালায় গাড়ি রেষারেষির একটা ঘটনায় গুরনাম সিং নামে এক ব্যক্তির মাথায় সিধু ঘুষি মারে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে হাসপাতালে গুরনামের মৃত্যু হয়। যদিও সিধুর দাবি ছিল ওই ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছিলেন , তার মারে নয়।  এর জেরে হওয়ায় মামলায় নিম্ন আদালত সিধুকে বেকসুর খালাস দেয়। তবে ২০০৭ সালে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট  সিধুকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন সিধু। সিধুর আর্জি গ্রহণ করে তার বিরুদ্ধে দেওয়া কারাদণ্ডের আদেশ স্থগিত করে সিধুকে জামিন দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর পর অমৃতসর থেকে বিজেপির হয়ে সাংসদ হন সিধু। হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন বিজেপি অকালি সরকার সিধুর বিরুদ্ধে সওয়াল করে। হাইকোর্ট সিধুকে দোষী সাব্যস্ত করে। মিডিয়ার একাংশের রিপোর্ট যদি সত্যি হয় বিষয়টা বেশ গোলমেলে। কারণ নতুন সরকারের পক্ষে মুশকিল হল যে মামলায় হাইকোর্টে  সিধুর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সওয়াল করেছিল সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কী করে তার পক্ষে সওয়াল করে কংগ্রেস সরকার। ফলে বৃহষ্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে সিধুকে সাজা দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেন পাঞ্জাব সরকারের আইনজীবীরা। প্রশ্ন উঠছে ২০০৭ সালে সিধুকে  জামিন দেওয়ার পর এতদিন লাগলো কী করে সুপ্রিম কোর্ট মামলার চূড়ান্ত রায়ের দিকে যেতে। ক্ষমতার দৌলতেই কি সিধু এতদিন ঠেকিয়ে রেখেছিলেন বিষয়টি। প্রশ্ন উঠছে সিধু জেলে গেলে কংগ্রেসের কি লাভ হবে?   কংগ্রেস চাইছে সিধুকে এখন ঝেড়ে ফেলতে?