ভাঙড়ে আরাবুল বাহিনীর তান্ডব চলছে অভিযোগ জমি কমিটির

ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলোনকারীদের পঞ্চায়েত ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা থেকে সরাতে লাগাতার সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে শাসক দলের মদতপুষ্ট গুন্ডারা,এমনটাই অভিযোগ সেখানকার জমি আন্দোলোনকারীদের।পঞ্চায়েতে মনোনয়োন জমা দিতে গিয়ে বিডিও অফিসের মধ্যে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ যোগসাজসে জমি আন্দোলনকারীরা মার খেয়েছে শাসকদলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের কাছে।হাইকোর্টের রায় নিয়েও রাজ্য নির্বাচন কমিশনে সকল প্রার্থীর মনোনয়োন জমা দিতে পারেন নি ভাঙড়ের জমি আন্দোলনের নেতৃবিন্দ।অভিযোগ গত কয়েকদিন ধরে পাওয়ার গ্রিড সংলগ্ন এলাকার  গ্রামগুলিকে সশস্ত্র পাহাড়ায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।পোলেরহাট ২ প়ঞ্চয়েত এলাকার গ্রামবাসীকে ক্রমাগত শাসানো হচ্ছে,স্কুলে যাওয়া ছাত্রীদেরও ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ।জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির পক্ষে ভাঙড় আন্দোলনের অন্যতম মুখ শর্মিষ্ঠা চৌধুরী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন,যে ভাবে গোটা এলাকাকে অবরুদ্ধ করে শাসক দলের পক্ষে আরাবুল ও তার দুষ্কৃতী বাহিনী সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে তাতে যে কোন দিন ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ গণহত্যার ঘটনা ঘটে যেতে পারে।কমিটির পক্ষে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে,সমস্ত গণতান্ত্রীক ভাবনাকে এড়িয়ে,ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড বিরোধী গ্রামের মানুষের প্রতিবাদকে দমিয়ে দিতে শাসক দলের আরাবুল গোষ্ঠীকে সশস্ত্র আক্রমমের সুযোগ করে দিতে প্রত্যক্ষ সাহায্য করছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।শর্মিষ্ঠা চৌধুরী তাঁর বিবৃতিতে পরিষ্কার বলেছেন,বার বার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা মেলে নি,তাঁরা এ বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও বিবৃতিতে জানিয়েছেন শর্মিষ্ঠা।জমি কমিটির নেতা মির্জা হাসান সকল গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে আবেদন রেখেছেন তাঁরা যেন এলাকায় গিয়ে সরকার ও প্রশাসনের চূড়ান্ত অগণতান্ত্রীক চেহাড়াটা রাজ্যের সকল মানুষের কাছে তুলে ধরেন।জমি জীবিকা বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির বিবৃতিতেও গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ সংবাদ মাধ্যমকে তার ভূমিকা পালনের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

,