খুনের হুমকি দিয়েও দিলীপ ঘোষেরা জেলের বাইরে বলেই কি ছত্রধর -রাতুলদের জেলে থাকতে হয়!

শাসক দলের কর্মীদের আবার হুমকি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রবিবার এক জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন তাঁদের সমর্থক কর্মীদের উপর হামলা হলে শাসক দলের নেতাদের অনাথ করে দেবেন।জানিয়ে দিয়েছেন যে ভাষা শাসক দল বোঝে তাদের সেই ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে।দিলীপ ঘোষের হুমকি শাসক দলের গুন্ডারা চাইলে তাদের মাটির ছফুট নীচে পুতে দেওয়া হবে অথবা চাইলে ছফুট উপর থেকে আছাড় মেরেও মারা হতে পারে। কোন সন্দেহ নেই প্রকাশ্যে খুনের হুমকি দিয়েছেন তিনি। দীলিপ ঘোষের বিরুদ্ধে থানায়  fir করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।তাই প্রশ্ন উঠছে  এভাবে যে রাজনৈতিক নেতা খুনের হুমকি দেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে না কেন ?প্রশ্নটা উঠবেই কেন না,এই সব নেতারাই বার বার সংসদীয় গণতন্ত্রের অহিংসা -সহনশীলতা নিয়ে বাগড়ম্বর করে চলেন।এঁরাই সাংবিধানিক রীতির দোহাই দিয়ে গরিব মানুষের যে কোন দাবি দাওয়ার আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী বলে চিহ্নিত করে ছত্রধরদের মত বহু গণআন্দোলনের নেতা কর্মীদের জেলে পুরে রাখার যুক্তি খাড়া করেন।কেন দিনের পর দিন শাসক দলের নেতা অনুব্রত মন্ডল পুলিশকে বোম মারাতে বলা,পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েও পার পেয়ে যায়?কেন দিলীপ ঘোষরা প্রকাশ্যে খুনের হুমকি দিয়েও বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়ান?আর উল্টোদিকে গণআন্দোলন করার অপরাধে দিনের পর দিন হাজতে কাটাতে হয় ছত্রধর মাহাতোকে,ভাঙড়ে জমি জীবিকা বজায় রাখতে চাওয়া মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর অপরাধে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে চিহ্নিত করে মাঝরাতে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ডাক্তার রাতুলকে।আর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে ক্রমাগত হিংসায় প্ররোচনা দিয়েও দিব্যি রেহাই পেয়ে যান অনুব্রত দিলীপ ঘোষরা।এ সব দেখে যে কোন সাধারণ মানুষেরই নিশ্চয়ই সেই দুটো ছড়ার লাইনই মনে পড়বে,শিবঠাকুরের আপন দেশে,আইন কানুন সর্বনেশে।