শিশু মৃত্যুকে ধামাচাপা দিতেই কি ডাঃ কাফিল খানের জামিন নিয়ে টালবাহান চলছিল? জামিনের আগে জেল থেকে চিঠি কাফিলের

 

(বুধবার এলাহবাদ হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন  চিকিত্সক কাফিল খান। তার আগে প্রায় ৮ মাস জেলে ছিলেন তিনি। জেল থেকে ১০ পাতার চিঠি লেখেন তিনি।)

১০ অগস্ট ২০১৭, গোরক্ষপুরের  সরকারি হাসপাতালে অক্সিজেনের  অভাবে  ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু হয় ৬৩জন শিশুর । যদি  সেদিন ওই হাসপাতালের  চিকিত্সক কাফিল খান সদর্থক ভূমিকা না নিতেন তাহলে মৃত্যু হতে পারতো আর অনেকের। কাফিল উদ্যোগ নেওয়ায় বেঁচে যায় বহু শিশুর প্রাণ।  কাফিল খান নিজের চেষ্টায় , পকেটের পয়সা দিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে এসে বহু শিশুর প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন সেদিন। মিডিয়ায় জানাজানি হতেই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন কাফিল। আর  শিশু মৃত্যুর অস্বস্তি  এড়াতে ও ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্য সরকার তড়িঘড়ি কয়েকজনের বিরুদ্ধে fir দায়ের করে উত্তর প্রদেশ সরকার। যার মধ্যে রয়েছেন কাফিল খানও। বকেয়া থাকায় যে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা হাসপাতালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল তার ডিরেক্টর জামিন পেলেও কাফিল ও তার সঙ্গী চিকিত্সকরা জামিন পাচ্ছেন না।  গত ৮ মাস  কাফিল খান জেলে বন্দী। নিম্ন আদালতে জামিন পাননি ওই চিকিত্সক। তাঁর পরিবার জামিনের জন্য  দারস্থ হয়েছে এলাহবাদ হাইকোর্টে। কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারণে সেই শুনানির দিন পিছিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। জেল থেকে ১০ পাতার এক চিঠি লিখেছেন কাফিল খান। সেদিন শিশুদের বাঁচানোর যে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন তার বর্ণনার পাশাপাশি জেলের নরক যন্ত্রণার কথা জানিয়েছেন  চিঠিতে কাফিল খান । কাফিল জানিয়েছেন ঘটনার পর হাসপাতালে এসে তাঁর উপর চটে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কাফিল খানকে  উদ্দেশ্য করে যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে হিরো হয়েছো! আমি দেখবো। শিশু মৃত্যুর ঘটনা কী করে মিডিয়ায় জানাজানি হল  তাতেই ক্ষেপে ছিলেন যোগী। । কাফিল অবশ্ তার চিঠিতে লিখেছেন তিনি মিডিয়াকে জানান নি। কাফিল খানের চিঠি বিস্তারিতভাবে পড়ুন kractivism এ।

সূত্র scroll.in