কেএম জোসেফের বিষয় সিদ্ধান্ত নিতে পারলো না কলিজিয়াম। আগেও কলিজিয়ামের পাঠানো গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের নামে আপত্তি মোদি সরকারের

কেন্দ্রের আপত্তির পর  উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি কেএম জোসেফকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির পদে উন্নিত করার বিষয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিতে পারলো না  কলিজিয়াম। প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, চেলামেশ্বর, রঞ্জন গগৈ, মদন লকুর ও কুরিয়ান জোসেফকে নিয়ে গঠিত কলিজিয়াম মঙ্গলবার ৪৫ মিনিট ধরে আলোচনার পরও এই বিষয় সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বলে জানাচ্ছে জাতীয় মিডিয়া । কিছুদিন আগে কলিজিয়ামের ৫ বিচারপতির ৪জনই এর আগে দীপক মিশ্রের কাজকর্মের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংবাাদিক বৈঠক করেছিলেন। অতি সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে  বিরোধীদের আনা ইমপিচমেন্টের আর্জি খারিজ করে দেয় উপরাষ্ট্রপতি। এই দুয়ের মধ্যে কোন সম্পর্ক আছে কিনা  আপাতত জানা নেই।

   অন্যদিকে এই প্রথম নয়।  সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করার জন্য কলিজিয়ামের পাঠানো কোন প্রার্থীর নাম মোদি সরকার খারিজ করেছে আগেও। সরকারের আসার পর পরই ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করার জন্য কলিজিয়ামের প্রস্তাবিত আইনজীবী গোপাল সূব্রহ্মণ্যমের নামেও আপত্তি জানিয়েছিল কেন্দ্র। আপত্তির  কোন নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি সরকার। শোনা যায় 2G মামলায় CBI এর আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও গোপাল সুব্রহ্মণ্যম নাকি অভিযুক্ত রাজার আইনজীবীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। অন্যদিকে গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের দাবি করেছিলেন এই অভিযোগ আদৌ সত্যি নয়, বরং  সোরাবুদ্দিন ভুয়ো হত্যা মামলায়  তিনি সুপ্রিম কোর্টের তরফে নিযুক্ত ‘আদালত বান্ধব’ হিসাবে কাজ করার সময়  গুজরাটের তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরাগভাজন হয়েছিলেন। গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের তথ্যের ভিত্তিতেই সোরাবুদ্দিন মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। যেখানে অমিত শাহ অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন। আর তাই নাকি কেন্দ্র তার নামে আপত্তি জানিয়ে থাকতে পারে। এদিকে কে এম জোসেফর বিষয় কেন্দ্রের আপত্তির সঙ্গে তাঁর দেওয়া উত্তরাখণ্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন খারিজের রায়ের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

ছবিতে প্রথম জন গোপাল সুব্রহ্মণ্যম, পরের ব্যক্তিটি কেএম জোসেফ

,