চিড়িয়াখানার পশুদের উচ্ছিষ্ট মাংস কি হোটেলে চালান হোত-তদন্ত শুরু

ভাগাড়ের মাংস নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল শোনা যাচ্ছে,চিড়িয়াখানায় পশুদের জন্য প্রতিদিন যে মাংস কেনা হয়,সেখানে যে মাংস বাড়তি থাকে বা পশুরা না খেয়ে ফেলে দেয়,সেই মাংস সাধারণত কমদামে মাছেদের খাওয়ানোর জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বিক্রি করে দিত নিয়মিত।কিন্তি এখন শোনা যাচ্ছে সেই মাংসও নাকি ঘুরপথে বিভিন্ন হোটেলে সাপ্লাই দিয়ে কেউ কেউ মুনাফা লুটে চলেছে দিনের পর দিন।বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে যথারীতি।কিন্তু যে প্রশ্নটা আবারও উঠবে তা হোল ঘটনা ঘটে যাবার পর কেন এত সক্রিয়তা শুরু হয়,এই অসাধু ব্যবসা যখন দিনের পর দিন চলতে থাকে তখন কোথায থাকেন এ বিষয় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারীকরা ও কর্মীরা?খাদ্যের নামে মানুষকে অখাদ্য খাওয়ানোর দায় শুধু অসাধু ব্যবসায়ীদের নয়,সরকার ও প্রশাসনও তাদের ব্যর্থতার দায় নেবে না কেন?যে সরকার উন্নয়নের ফিরিস্তি দিতে সরকারি তহবিল থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে,সেই সরকার কেন সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই অসাধু ব্যবাসা আটকাতে লাগাতার প্রচার অভিযান চালাতে পারে না?যে রাজ্যে চিড়িয়াখানায় পশুদের ফেলা দেওয়া মাংস মানুষের খাবার টেবিলে উঠে আসে,সে রাজ্যের প্রশাসনের মুখে উন্নয়নের গল্প খুব বেশীদিন আর বিশ্বাসযোগ্য থাকবে না তা বলাই বাহুল্য।

,