ভাগাড় কান্ডে চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন সমাজকর্মীদের একাংশ

রাজ্যজুড়ে যে ভাবে ভাগাড়ের পচা মাংস নিয়ে প্রচার শুরু হয়েছে তাতে অন্য চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন,পরিবেশবিদ ও সমাজকর্মীদের একাংশ।সম্প্রতি প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন এঁরা জানান একশ্রেণীর মিডিয়া,ও প্রশাসনের একটা অংশ বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সমাজের একেবারে নিম্নবিত্ত মানুষের রুজিরোজগারে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।যেভাবে সব মাংসকেই ভাগাড়ের মাংস বলে চালিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ শুরু হয়েছে তাতে এর পেছনে কোন গূঢ় ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক কারণ থাকা অসম্ভব নয় বলে এঁদের মত।কেন প্রশাসন এ বিষয়ে আগে থেকে ব্যবস্থা নেয় নি,কেন পুরসভার আধিকারিকরা এ বিষয়ে আগে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবেন নি সে প্রশ্নও তোলা হয়।সমাজকর্মী ও লেখক মানিক মন্ডল অভিযোগ করেন এক শ্রেণীর মিডিয়া কয়েক মাস আগেকার পচা মাংসের ছবি দেখিয়ে প্রচার করছে সব জায়গায় পচা মাংস রয়েছে,তার সত্যতার পক্ষে কোন প্রমাণ তারা দিচ্ছে না,এ ভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার কোন অধিকার কারোর নেই,এমনকী মিডিয়ারও নেই।বিশিষ্ট পরিবেশবিদ নব দত্ত বলেন,২০১৬ সালের পরিবেশ আইন অনুসারে আজকের সময় ভাগাড়ের কোন অস্তিত্বই থাকার কথা নয়,অথচ যে ভাবে কথাটা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে মনে হয় এর পিছনে অন্য কোন কারণ কাজ করছে।নববাবু পরিষ্কার জানান খাবারে ভেজাল দেওয়া হলে তা অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ,তার বা তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।মাংস নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তার ভত্তি চিহ্নিত করে,গোটা বিষয়টা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা দরকার তা না করে প্রশাসন হুজুক ছড়াতে মদত দিচ্ছে,এটা খুব ভয়ের বিষয় বলে উল্লেখ করেন নব দত্ত।সমাজকর্মী মানিক মন্ডল জানান প্রশাসন ও মিডিয়ার একাংশ যদি এ বিষয় বিভ্রান্তি দূর করতে উদ্যোগ না নেয় তাহলে তাঁরা এ বিষয়ে জনস্বার্থের মামলা দায়ের করবেন,কেন না এই হুজুগের ফলে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে।

,