১০০০ টাকা জরিমানা করেই নভজ্যোত সিংসিধুকে খুনের মামলায় খালাস দিল সুপ্রিম ক‍ে‍ার্ট

কর্ণাটক ভোটের বাজারে খুব একটা গুরুত্ব পেল না খুনের মামলায কংগ্রেস মন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার নভ‍জ্যোত  সিং সিধুর রেহাইয়ের রায়। য়দিও  পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল যাতে নভজ্যোত সিং সিধুকে জেলে পাঠানো হোক। সু্প্রিম ক‍োর্ট সিধুকে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা থেকে রেহাই দিয়ে ঘুষি মারার জন্য ১০০০ টাকা জরিমানা করেছে। সর্বোচ্চ অাদলত জানিয়েছে  ঘটনার পর৩০ বছর কেটে গেছে তাছাড়া য়াকে সিধু মেরেছিলেন তাঁর সঙ্গে সিধুর কোন শত্রুতা ছিল না। তাই শুধু জরিমানা। তাই এক্ষেত্রে ১৯৮৮ সালে ২৭ ডিসেম্বর পাতিয়ালায় গাড়ি রেষারেষির একটা ঘটনায় গুরনাম সিং নামে এক ব্যক্তির মাথায় সিধু ঘুষি মারে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে হাসপাতালে গুরনামের মৃত্যু হয়। যদিও সিধুর দাবি ছিল ওই ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছিলেন , তার মারে নয়।  এর জেরে হওয়ায় মামলায় নিম্ন আদালত সিধুকে বেকসুর খালাস দেয়। তবে ২০০৭ সালে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট  সিধুকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন সিধু। সিধুর আর্জি গ্রহণ করে তার বিরুদ্ধে দেওয়া কারাদণ্ডের আদেশ স্থগিত করে সিধুকে জামিন দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর পর অমৃতসর থেকে বিজেপির হয়ে সাংসদ হন সিধু। হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন বিজেপি অকালি সরকার সিধুর বিরুদ্ধে সওয়াল করে। হাইকোর্ট সিধুকে দোষী সাব্যস্ত করে। নতুন কংগ্রেস সরকারের পক্ষে মুশকিল হল যে মামলায় হাইকোর্টে  সিধুর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সওয়াল করেছিল সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কী করে তার পক্ষে সওয়াল করে রাজ্য সরকার। তাই  সুপ্রিম কোর্টেও সিধুকে সাজা দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেন পাঞ্জাব সরকারের আইনজীবীরা। প্রশ্ন উঠছে ২০০৭ সালে সিধুকে  জামিন দেওয়ার পর এতদিন লাগলো কী করে সুপ্রিম কোর্ট মামলার চূড়ান্ত রায় হতে। ক্ষমতার দৌলতেই কি সিধু এতদিন ঠেকিয়ে রেখেছিলেন বিষয়টি।

,