শুক্রবার সন্ধের মধ্যে কাকদ্বীপের মৃত দম্পতির দেহ দিতে হবে পরিবারকে: হাইকোর্ট

মৃতের পরিবারের সঙ্গে অমানবিক ও অন্যায় আচরণ করার জন্য সব মহল থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা ধ্বণিত হলেও নির্বিকার প্রশাসন।শুক্রবারও কাকদ্বীপের আগুনে ঝলসে যাওয়া দেবপ্রসাদ ও উষারানি দাসের মৃতদেহ নিয়ে রহস্য করে গেছে প্রশাসন।কিছুতেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দিতে রাজি হয় নি প্রশাসন।শেষ পর্যন্ত হাইকোর্ট নির্দেশ দিল শুক্রবার সন্ধ্যের মধ্যে দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে।  সিপিএম কর্মী ঐ দম্পতির ছেলেকে প্রশাসনের তরফে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠছে যাতে সে দেহ কাকদ্বীপে নিয়ে না যায়।শুক্রবার সকালে ডায়মন্ড হারাবার হাসপাতালের মর্গে দেহ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।দুপুরের পরেও দেহ ঐ মৃতের ছেলের কাছে দেওয়া হয় নি।মৃতদেহ নিয়ে প্রশাসনের এই অবাক করা আচরণের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়।।তবে সিপিএমের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে যে ভাবে দুজন মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে,তার বিরুদ্ধে জনরোষ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাতেই শসক দল প্রসাসনকে কাজে লাগিয়ে মৃতদেহ লোপাটের প্রয়াস চালিয়ে য়াচ্ছে।বৃহস্পতিবার প্রশাসনের এই রহস্যজনক আচরণের প্রতিবাদে সেন্ট্রাল এ্যভিনিউ অবরোধ করেন সিপিএম পার্টি কর্মীরা।লালবাজার থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী পাঠিয়ে সেই অবরোধ তুলে দেওয়া হয়,গ্রেপ্তার করা হয় সুজন চক্রবর্তী সহ একাধিক বামনেতাদের।শুক্রবারও ডায়মন্ড হারবার হাসপাতাল চত্ত্বরে বাম কর্মী ও সমর্থকরা ভিড় করেন,তবে দুপুর পর্যন্ত দেহ হস্তান্তর করার কোন উদ্যোগ প্রশাসনের তরফে নজরে পড়েনি।সিপিএমের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে মৃত ঐ সিপিএম দম্পতির ছেলেকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে প্রশাসন এখন তাকে দিয়ে কোনক্রমে মৃতদেহ দুটি পুড়িয়ে দিতে চাইছে।মৃতদেহ দুটি যাতে কাকদ্বীপে নিয়ে না য়াওয়া হয় তার জন্যই এত আয়েজন।এর পেছনে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাত আছে বলে স্পষ্ট অভিযোগ বামেদের।গতকাল থেকেই মৃতের ছেলেকে কব্জায় নিয়ে নিয়েছে প্রশাসন,তাকে দিয়ে বলানো হয়েছে তিনি রাজনীতি করেন না,তিনি আর তাঁর বাবা মায়ের পোড়া শরীর দেখতে চান না।বাম কর্মী সমর্থকদের অভিযোগ গোটাটাই তাঁকে দিয়ে জোর করে বালানো হচ্ছে,শাসক দলের নির্দেশে প্রশাসন নির্লজ্জ আচরণ করছে।এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টকেই সিদ্ধান্ত নিতে হল