ভাঙড়ে খোদ মমতাকেই অবাধ ভোটের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন জমি আন্দোলনকারীরা

একটা সময় ছিল যখন মমতা ছিলেন বিরোধী নেত্রী,তখন সিঙ্গুর কিংবা নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনকারীদের সমর্থনে সামিল হয়েছিলেন তিনি,তখন এ রাজ্যে জমি রক্ষার লড়াইয়ের একটা স্লোগান তৈরি হয়েছিল,জমি রক্ষার আর এক নাম সিঙ্গুর ভাঙড় নম্দীগ্রাম।এর মধ্যে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের লড়াইয়ের ফায়দা তুলে মমতা এখন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সীতে।ক্ষমতার চেয়ারে বসেই ভাঙড়ে পাওয়ারগ্রিড তৈরি করতে জমি ছিনিয়ে নেওয়ার নীল নকসা তৈরি করে ফেলেছে তাঁর সরকার,আর তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ধ্বজা তুলে দাঁড়িযেছে ভাঙড়বাসী।পঞ্চায়েত ভোটে হুমকি সন্ত্রাস,গুলি সবকিছুকে মোকাবিলা করে কোনক্রমে যে ৯ জন মনোনয়োন দিতে পেরেছিল তাদের মধ্যে ৫জন জিতে গেছেন।প্রচন্ড সন্ত্রাস,মার খেয়েও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইয়ের ফল এটা।জমি কমিটির এই জয়কে মুখ্যমন্ত্রীও কটাক্ষ করে বলেছেন এই ভোটে নাকি মাওবাদী,বিজেপি সিপিএম কংগ্রেস এক হয়ে লড়ার ফলে এররকম কয়েকটা জায়গায় মাত্র তৃণমূল জীততে পারেনি না হলে নাকি ১০০ শতাংশ আসন শাসকদল পেয়ে যেত।মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ঙাঙড়ের আন্দোলনকারীরা পান্টা তাঁকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন,সাহস থাকলে তিনি অবাধ নির্বাচন করুন,ভাঙড়ে জামানত জব্দ যদি না হয় মমতার প্রার্থীদের তাঁরা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেবেন।জমি আন্দোলনের নেতা মির্জা হাসান জানান প্রতিটি জায়গায় তারা জীতে যেতেন যদি শাসক দল ও পুলিশ ছাপ্পা না দিত,আরাবুলকে পুলিশের নিরাপত্তায় রেখে ভাঙড়ে সন্ত্রাস তৈরি করা হয়েছে,না হলে শাসক দলের সবার জামানত জব্দ হয়ে যেত।ভাঙড়ে জমি আন্দোলনকারীদের ৫ জনের জিতে যাওয়া যে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের নতুন প্রেরণা তৈরি করল তা মনে করছেন সেখানকার আন্দোলনকারীদের সকলেই।