পেট্রেল ‌ডিজেলের দামের পিছনে খেলাটা কী?

যদিও এখন ডিজেল বা পেট্রলের দাম সরকার ঠিক করে না । তবু কি আশ্চর্য কর্ণাটকের ভোট শেষ হতেই  দফার দফায়  দাম বাড়ছে ডিজেল ও পেট্রলের। গত ৯দিনে   ৯ বার দাম বাড়ল পেট্রল ও ডিজেলের।    অথচ বিশ্ববাজারে যে দামের দোহাই দিয়ে দেশের বাজারে জ্বালানী তেলের দাম বাড়ান হয় সেখানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম এখন  ৮০ ডলারের নীচে। অথচ বছর দেড়েক আগেই তা ছিল ১১৫ ডলার প্রতি ব্যারেল। অাসলে নানাধরনের কর চাপিয়ে বাড়িয়ে রাখা হয় তেলের দাম। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জিএসটি এর অাওতায় পেট্রল -‌ডিজেলকে অানলেই ৬০ টাকার নীচে নেমে যাবে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম। সবাই জানেন তেলের দাম বাড়া মানেই নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বাড়া। অথচ কোন রাজনৈতিক দলই এই দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে না। একদিকে তেল কোম্পানিগুলি মর্জিমাফিক দাম বাড়াচ্ছে অন্যদিকে দফায় দফায় কর বাড়িয়ে আয়ের সহজ রাস্তা করে ফেলেছে কেন্দ্র। অথচ বিশ্ববাজারে তেলের দাম যখন ব্যারেল পিছু ৪০ ডলার হয়ে গিয়েছিল তখন তার  সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল জনসাধরণের। তা হয়নি। তাছাড়ার মার্কিন চাপের মুখে পড়ে ভারত- ইরান ( অপেক্ষাকৃত সস্তার )গ্যাস পাইপ লাইনের বিষযয়টি ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ওএনজিসির গ্যাস চুরি করলে বা সরকারি লাইসেন্সের নিয়ন ভেঙে রিলায়েন্স গ্যাস উত্তোলন করলেই সরকার নীরব থাকে? কেন রিলায়েন্স  এক -দু টাকা দাম কমালেই কিছু লোককে অাপাতত ‘বোকা বানান’ দেওয়া যেতে পারে কিন্তু দেশের জ্বালানি তেলের রাজনীতিটা বুঝতে না পারলে এই দাম বাড়া কমার খেলাটাকে ধরা সম্ভব নয়।

,