রেলের টিকিট সংরক্ষণে বিকল্প কি অাদৌ সত্যি বিকল্প?

১ এপ্রিল থেকে ট্রেনে আসন সংরক্ষণের ‘বিকল্প ‘ ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। টিকিট কাটার সময় যারা বিকল্প স্কিমে যেতে সম্মত হবেন তাঁদের টিকিট কনফার্মড না হলে আগামী অাধঘন্টা থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে ওই রুটের পরবর্তী ট্রেনে আসন দেওয়ার চেষ্টা করবে রেল। যদি অন্য ট্রেনে আসন থাকে তবেই। কোন নিশ্চিত ব্যবস্থা নয় বিকল্প। এক্ষেত্রে  এক্সপ্রেস বা মেল ট্রেনের ভাড়ায় যাত্রীরা রাজধানী বা দূরন্ত চড়ার সুযোগ পেতে পারেন। তবে বিষয়টা যতটা আকর্ষণীয় লাগছে ততটা কিন্তু নয়। কারণ  বিকল্প যে ট্রেনে টিকিট দেবে তা যাত্রীর গন্তব্য স্টেশন পর্যন্ত না হতেও পারে। তার কাছাকাছি হবে। দ্বিতীয়ত একবার বিকল্প স্কিম রাজি হওয়ার পর যদি বিকল্প ট্রেনটি পছন্দ না হয় তাহলে টিকিট বাতিলের ক্ষেত্রে কনফার্মড টিকিটের ক্যানশেলেসন চার্জ নেবে রেল। সেটা প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তৃতীয়ত একবার স্টেশনে গিয়ে চার্ট তৈরির পর নাম উঠলো কি না দেখে আরো অাধ ঘন্টা থেকে ১২ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে যাত্রীকে। ফলে যতটা আকর্ষণীয় শোনাচ্ছে বিকল্প কিন্তু ততটা নয়। বুঝে শুনে  বিকল্পে নাম লেখালেই ভাল। প্রিমিয়াম ট্রেনে খালি সিট ভরাতে যাত্রীদের অন্ধকারে রেখে তাদের পকেট কাটতে চাইছে না তো রেল?  প্রশ্নটা উঠছেই।