স্টারলাইটের কারখানায় চিরতরে তালা। ১৩জনের জীবনের মূল্যে চিরতরে বন্ধ বেদান্তের বিষ কারখানা

সোমবার তুতিকোরনে বেদান্তের স্টারলাইট কারখানা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার । এর পরই তুতিকোরিনের প্রশাসন স্টারলাইট কারখানাকে চিরতরে বন্ধ করে দেয়।অন্তত জাতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট তাই। ১৩জনের প্রাণের বিনিময়ে চিরতরে বন্ধ হল বেদান্তের বিষ কারখানা।

এর অাগে, ২৪ মে, ছাড়পত্র বাতিল করে কারখানা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল  তামিলনাডুর দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। সেই সঙ্গে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশও দেয় তারা।  দ্য হিন্দ্যুর প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে জানান হয়েছে গত ১৮ ও ১৯ মে তারা তুতিকোরনের স্টারলাইট কারখানার পরিদর্শনের সময় লক্ষ করে যে স্টারলাইট কর্তৃপক্ষ কারখানা চালু করার চেষ্টা করছে। গত ৩১ মার্চ স্টারলাইটের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়। ১ এপ্রিল থেকে কারখানা চালু  রাখার ছাড়পত্র পুনর্নবীকরণ  করেনি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। প্রশ্ন ওঠে ১৮ ও ১৯ মে পরিদর্শনের সময় স্টারলাইট কর্তৃপক্ষের তরফে কারখানা চালুর চেষ্টা হচ্ছে দেখেও কোন পদক্ষেপ নিল না কেন দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ?  তুতিকোরনে স্টারলাইট বিরোধী বিক্ষোভে  পুলিসের গুলিতে ১৩জন নিহত না হলে কি দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ কোন দিনই ব্যবস্থা নিত?

 এর অাগেও একবার বন্ধ হয়েছিল তুতিকোরণের স্টারলাইট। ২০১৩ সালের মার্চেও একবার বন্ধ হয়েছিল এই কারখানা। সেবার গ্যাস লিকের কারণে। এর পরে তা ফের চালু হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্টও বেদান্তের এই কারখানাকে ১০০ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল একসময়। অাবার কোন অাদালতের রায় খুলে যাবে না তো স্টারলাইট?