এয়ার ইন্ডিয়া কিনতে উত্সাহী নয় কেউ? অনিশ্চিত ভবিষ্যত, উত্তর মিলছে না অনেক কিছুর।

এখনও পর্যন্ত এয়ার ইন্ডিয়া কিনতে অাগ্রহ দেখাননি কেউই। ৩১ মে শেষ হচ্ছে নিলাম অংশ নেওয়ার দিন। মিডিয়ায় কেন্দ্রের তরফে জানান হয়েছে নিলামে অংশ নেওয়ার দিন অার বাড়ানো হবে না। অাগেই নিলামে অংশ নেওয়ার সময় ১৪ মে থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩১ মে পর্যন্ত। যদি এয়ার ইন্ডিয়া কিনতে কেউ অাগ্রহ না দেখায় তাহলে রাষ্ট্রীয় উড়ান সংস্থার ভবিষ্যত  নিয়ে তৈরি হতে পারে নতুন করে  অনিশ্চয়তা। বন্ধ হওয়ার অাশঙ্কাও রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।

 কিছুদিন অাগে বিনিয়োগের শর্ত আরো শিথিল না করলে এয়ার ইন্ডিয়া কিনতে আগ্রহী হবে না কেউ। এমনটাই জানিয়েছিল পরামর্শদাতা সংস্থা CAPA। আর যদি এয়ারইন্ডিয়ার বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় কেউ সাড়া না দেয় তাহলে বন্ধ করে দিতে হতে পারে এয়ারইন্ডিয়াকে। CAPA এর এই পরামর্শকে বিনিয়োগের শর্ত শিথিল করার হুঁশিয়ারি বলে মনে করছেন অনেকে। বিজনেজ স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী CAPA এর মতে শ্রম শর্ত( অর্থাত্ ছাঁটাই করতে দিতে হবে?) ও ৭৬ শতাংশ মালিকানার জন্য ৪৮শতাংশ দায় বা ঋণের বোঝা বইবার শর্তেও নাকি আপত্তি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের।

 এয়ার ইন্ডিয়াকে বিক্রির সিদ্ধান্তে নেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ৫০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি ও ৪৫ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে চলা এয়ার ইন্ডিয়ায় এটাই কি অবধারিত ছিল? কিন্তু কেন জাতীয় উড়ান সংস্থাকে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে?  যে এয়ার ইন্ডিয়াকে ২০১৮ সালে  এসে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হল তাতেই  কেন  ২০১২ সালে  এয়ার ইন্ডিয়ার পুনরুজ্জীবনের নামে ৩০ হাজার কোটি টাকা ধাপে ধাপে  ঢালার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল upa সরকার ? এয়ার ইন্ডিয়ার এই রুগ্ন দশার পিছনে দায়ী কারা? কেন এয়ার ইন্ডিয়ার আর্থিক কেলেঙ্কারি নিয়ে লেখা বই তত্কালীন অসামরিক বিমান মন্ত্রী প্রফুল প্যাটেল আদালতে গিয়ে নিষিদ্ধ করে দিলেন? এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নীকরণের সিদ্ধান্তের সময় একাধিক অাগ্রহী ক্রেতার নাম মিডিয়ায় শোনা যাচ্ছিল, হঠাত্ কি হল যে কেউই নিলামে অংশ নিল না? পুরো বিষয়টি যথেষ্ট গোলমেলে।

,