গুজরাটের অারেকটা সংস্থা সরকারি ব্যাঙ্কের সঙ্গে প্রতারণা, বাজেয়াপ্ত ৪৭০০ কোটির সম্পত্তি

অারেকটা ব্যাঙ্ক প্রতারণা। এবারো গুজরাটের। ভদোদরার ওই কোম্পিনর নাম। স্টারলিং বায়োটেক। মালিকদের নাম নীতিন ও চেতন সানদেসারা। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী  স্টারলিং গোষ্ঠীর প্রায় ৪৭০০ কোটি টাকার স্থাবর – অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।  তবে একটু দেরিতে। ২০১৭ সালের অক্টোবরে স্টারলিংয়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়। অাবারো মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অাগেই দেশে ছেড়ে পালায় তারা।

অন্ধ্রা ব্যাঙ্ক সহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কনসোর্সিয়াম স্টারলিং বায়োটেককে ঋণ দেয় ৫৩৮৩ কোটি টাকা। পুরোটাই জাল নথি দিয়ে। অার প্রায় ৩০০টি ভুয়ো কোম্পিন তৈরি করে সেই টাকা দেশে ও দেশের বাইরে নামে বেনামে পাচার করে দেয়। দেশের মধ্যে কেনে বিলাসবহুল গাড়ি, জমি। এত বড় ঋণ প্রতারণা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই ঋণ প্রতারণার সঙ্গে যে ব্যাঙ্কের উচ্চ পর্যায়ের অাধিকারিকরা যুক্ত তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অন্ধ্রা ব্যাঙ্কের এক প্রাক্তন অধিকর্তাকেও।তবে রাজনৈতিক মদত ছাড়া কি এত বড় প্রতারণা সম্ভব?

এর অাগেও গুজারাটের একাধিক সংস্থা ঋণ প্রতারণা করে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে দেশ ছেড়েছে। যার মধ্যে ইউনসম গোষ্ঠীর ঋণের প্রতারণার অঙ্ক প্রায় ৭০০০ কোটি টাকা। ডিপিঅাইএলের ঋণ প্রতারণার অঙ্ক ২৬৫৪ কোটি টাকা। সরকারি ব্যাঙ্ক বা এজেন্সির এত দেরিতে ঘুম ভাঙছে কেন? এর সঙ্গে কোন গুজারট কানেকশন নেই তো ?

বিদ্রঃ

৪৭০০ কোটি টাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত খবরের ভিত্তি কি তা স্পষ্ট নয়।  এই হিসাবের সঙ্গে বাজার মূল্যের কোন সঙ্গতি অাছে কিনা তা জানা নেই। যেমনটা নাকি নীরব মোদির ক্ষেত্রে ঘটেছিল, বাজেয়াপ্তের মূল্য প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে লেখা ছিল হিসাবের খাতায়।

,