অলীকের পুলিসি হেফাজত,জামিন রাতুলের

শনিবার ভাঙড় অান্দোলনের নেতা অলীক চক্রবর্তীকে ১০ দিনের জন্য পুলিসি হেফাজতে পাঠাল বারুইপুর অাদলত। ওই দিনই ভাঙড় আন্দোলনের সমর্থক চিকিত্সক রাতুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামিন মঞ্জুর করল অাদালত। শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের সদস্য ও ভাঙড় আন্দোলনের সমর্থক ডাক্তার রাতুল বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেল বন্দি করে রাখার সরকারি প্রয়াস শেষ পর্যন্ত ধাক্কা খেল আদালতে। শনিবার আদালত রাতুলের জামিন মঞ্জুর করে দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার যে অভিযোগ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনা হয়েছিল আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষনে তা বাতিল হয়ে যায়।মাস দেড়েক আগে রাতুলকে মাঝ রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।মেডিকেল সাইন্সের কৃতি ছাত্র ও সমাজ আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী রাতুল বন্দ্যোপাধ্যায় কে এভাবে গ্রেপ্তার করায় মানবাধিকার আন্দোলনের সংগঠন,চিকিত্সক সংগঠন থেকে গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠেন।লাগাতার প্রতিবাদের চাপে প্রশাসন আক্রমনাত্বক হয়ে ওঠা থেকে পিছু হটতে থাকে,এর আগে কিছু মামলার নিষ্পত্তি হতে না হতেই আর মামলা তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছিল,তবে শনিবার আদালত পুরোন মামলায় রাতুলের জামিন গ্রাহ্য করার পর প্রশাসন নতুন কোন মামলার ফিঁকির তোলে নি। অনেকেই মনে করছেন আন্দোলনের চাপেই আপাতাত পিছু হোটতে বাধ্য হোল প্রশাসন।সব ঠিক থাকলে সোমবারেই জেল থেকে মুক্ত হবেন রাতুল। তবে এরাজ্যের জেলে এখন বন্দি রয়েছেন বহু রাজনৈতিক কর্মী। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি করেছেন তাঁদেরও মুক্তি দিক সরকার।  এই বিষয়  সরকারে অাসার অাগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি কেন পূরণ করছে না সেই প্রশ্ন তুলেছেন তারা।