মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ, কৃতীদের অালোর চারপাশে এখনও জমাট অন্ধকার

বুধবার মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হতে দেখা গেল যথারীতি সেই জেলা গুলির জয়জয়কার।প্রথম হয়েছেন জেলারই সঞ্জীবনী,তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।এছাড়াও জোলা থেকে একাধিক জন মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।গোটা রাজ্যে এ বার মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ৮৫ শতাংশেরও বেশী।পরীক্ষার ফলের নিরিখে রাজ্যের শিক্ষার হালকে বেশ উজ্জ্বল বলেই মনে হয়,বিশেষ করে জেলার ছেলে মেয়েদের যে সাফল্য তা দেখে মনে হয় এ রাজ্যে শিক্ষা নিশ্চয়ই গ্রাম গঞ্জে বেশ মজবুত ভিত তৈরি করতে পেরেছে।কিন্তু একটু খোঁজ খবর করলেই ধরা পড়ে,রাজ্যের জেলা গুলিতে শিক্ষার পরিকাঠামো তেমন উন্নতি করতে পারেনি।স্কুলের অভাব,শিক্ষকের অভাব প্রায় প্রত্যেকটি জেলাতে। এমন সব স্কুল আছে যেখানে মেয়েদের  পৃথক শৌচালয়ের ব্যবস্থাই নেই।কোথাও শৌচালয়ের অবস্থা বেহাল,সপ্তাহে একদিন শৌচালয় পরিষ্কার করা হয়। এমন খবরও পাওয়া যায় ক্লাস নাইনেও  ছেলে মেয়েরা ভাল করে বাংলা রিডিং পড়তে পারে না।তার মধ্যে জেলাগুলির এই চোখ ধাঁধানো সাফল্য দেখে সংশয় হয়,কোথাও গোজামিল দেওয়া হচ্ছে না তো!!সমস্যাকে মানলে সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে কিন্তু সমস্যাকে যদি গোজামিল দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয় তবে তা বড় বিপদের কথা।একটা প্রজন্ম তথা আগামি ভবিষ্যতের সঙ্গে তা প্রতারণার সামিল হবে,সেটা মাথায় রাখছেন তো আমাদের রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তিরা!