প্রতিবাদী চিকিত্সকদের উপর চাপ তৈরি করতে মিছিলে হাঁটায় চিকিত্সক নেতাকে সরকারের শোকজ?

আর কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিলের ভোট।আর তার আগেই সরকার বিরোধী ডাক্তার সংগঠনগুলিকে চাপে রাখতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে বলে অভঘোগ উঠল।শনিবার আচমকাই ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরর্স ফোরামের সংগঠক ডাক্তার রেজাউল করিমকে শোকজের চিঠি ধরিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।এই চিঠিতে ডাক্তার করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে তিনি ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে ডাক্তারদের এক প্রতিবাদী মিছিলে সরকারি নিয়ম ভেঙে যোগ দিয়েছিলেন।সরকারকে অবগত না করে তিনি কেন একটি টিভি চ্যানেলের টক শো তে হাজির ছিলেন তারও কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে সরকারের চিঠিতে।দশদিনের মধ্যে ডাক্তার রেজাউল করিমকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরর্স ফোরাম সহ সমস্ত সরকার বিরোধী ডাক্তার সংগঠনগুলির অভিযোগ মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনের আগে সরকার বিরোধী ডাক্তার সংগঠনগুলিতে ভয় পাইয়ে দিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।প্রতিবাদী সংগঠনগুলি সরকারের এই আচরণের মোকাবিলা আইনি পথেই করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের পক্ষে ডাক্তার পুন্যব্রত গুন জানান,যেহেতু ডাক্তার করিম সরকার বিরোধী ডাক্তার সংগঠনগুলিকে একত্রিত করে লড়াইয়ের একটা মঞ্চ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন তাই তাঁকে ভয় দেখিয়ে,নির্বাচনের আগে আগেই সবাইকে ভয় দেখানোর একটা কৌশলের কারণেই এই শোকজ চিঠি দেওয়া হোল।তবে তাঁরা এর বিরুদ্ধে দলবদ্ধভাবেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন বলে জানান ডাক্তার গুন।গতবছরই এক সরকারি ডাক্তারকে ডেঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করায় সাসপেন্ড করা হয়েছিল,তা নিয়েও যথেষ্ট বিতর্ক হয়েছিল রাজ্যজুড়ে।ডাক্তার রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে সরকার যদি কোন শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেয় সেক্ষেত্রে রাজ্যে মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনের আগে যে আবার একটা শোরগোল পড়বে তা বলাই বহুল্য।