অমিত শাহের bank এ ৫০০ টাকা জমা পড়ার খবর ২ বছর অাগেই প্রকাশিত

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোটবন্দির পর অমিত শাহ যে ব্যাঙ্কের ডিরেক্টর সেই  অামেদবাদ জেলা সমবায় ব্যাঙ্কে ৫দিন জমা পড়েছিল ৭৪৫ ক‍োটি ৫৮ লক্ষ টাকা। প্রায় ২ বছর পর ঘুম থেকে উঠে এই  অভিযোগ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু ২ বছর অাগে জানা এই খবর নিয়ে হঠাত্ অভিযোগ করতে গেলেন কেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী?  সবরঙ এ প্রকাশিত রিপোর্টকে উল্লেখ করে ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর সাতদিন.ইন জানিয়েছিল  গুজরাট সমবায় ব্যাঙ্কের অামেদাবাদ শাখায় নোট বন্দির পর শুধু মাত্র ৩  দিনে জমার অঙ্ক ছিল ৫০০ কোটি টাকা। সেই সময় এই তথ্য একাধিক জাতীয় মিডিয়াও প্রকাশিত হয়। তখন কি রাহুল গান্ধী ঘুমোচ্ছিলেন?

ফিরে দেখা,

সাতদিন.ইন  ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬

৮ নভেম্বর রাতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের  বিষয়টি ঘোষণা করেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার ৩ দিনের মধ্যে আমেদাবাদ সমবায় ব্যাঙ্কেের আশ্রম রোড শাখায় জমা পড়ল ৫০০ কোটি টাকা। বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ আবার এই সমবায় ব্যাঙ্কের ডিরেক্টরও বটে। গত ১৯ ডিসেম্বর  ওই শাখায় ইডি ও আয়কর দফতরের তরফে তল্লাশিও চালান হয়। আমেদাবাদ সমবায় ব্যাঙ্কের ১৯০টি শাখা রয়েছে। অথচ ৫০০ কোটি টাকা জমা পড়েছে শুধুমাত্র হেড অফিসের শাখাটিতেই।দেশজুড়ে সমবায় ব্যাঙ্কগুলিকে কালো টাকা সাদা করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই তালিকায় নাম উঠল অমিত শাহের ব্যাঙ্কের নামও।

 

সূত্রঃ সবরঙ

২৩ ডিসেম্বর ২১০৬

,