অসমে বিজেপির বিধায়কও ভারতের নাগরিক নয় ?

অসমে নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত খসরা তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়াদের মধ্যে আশ্চর্যজনক ভাবে রয়েছেন সেখানকার বিধানসভার এক বিধায়কও। রমাকান্ত দেউড়ি নামে এই বিধায়ক মরিগারঁও থেকে নির্বাচিত।ইনি বিজেপির বিধায়ক।স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে যে বিজেপি দল এদেশে থাকা বিদেশী চিহ্নিত করতে এতটা উদগ্রিব তাদের দলের নির্বাচিত প্রতিনিধি কী ভাবে বিদেশী বলে প্রতিপন্ন হয়?তাছাড়া রাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধিই যদি নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান,তাহলে কি এই নাগরিকতা যাচাইয়ের গোটা বিষয়টা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক?শুধু বিজেপি বিধায়কই নন,নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এআইইউডিএফের অভয়াপুরির বিধায়ক অনন্ত কুমার মাল্যের নামও।আলফা স্বাধীনের প্রধান পরেশ বড়ুয়ার নাম তালিকাতে থাকলেও বাদ পড়েছে তাঁর স্ত্রী ও দুই পুত্রের নাম।অথচ ঘটনা হচ্ছে এরকম তালিকা তৈরির আগেই অসমের ভূমি পুত্রদের দাবি ছিল যে সব পদবি শুধুমাত্র অসম ছাড়া কোথাও মেলে না,সেই সব পদবিধারীদের অরিজিন্যাল ইনহ্যাবিট্যান্ট বলে এমনিতেই তালিকাভুক্ত করে নিতে হবে।রমাকান্ত দেউড়ি জানিয়েছেন,তিনি অসমের মাটিতে জন্মেছেন,অসমের ভুমিপুত্র হয়ে কারোর কাছে তিনি সেখানকার নাগরিক হবার আবেদন নিয়ে যাবেন না।তাঁর মতে ভুমিপুত্রদের এমন হেনস্থা খুবই লজ্জার।দেউড়ি ও পরেশ বড়ুয়ার প্রতিবাদের ভাযা একবিন্দুতে মিলে যাওয়ায় বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না,অসমে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ক্রমেই পেছিয়ে গিয়ে,ভুমিপুত্রের প্রতিনিধিত্বের স্বর ক্রমশ চড়া হয়ে উঠছে।

,