গুজরাট দাঙ্গার পর মোদির ইস্তফা চেয়েছিলেন বাজপেয়ী, কিন্তু কেন তা হয়নি ব্যাখ্যা অরুণ শৌরিরর

0
2

অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর তাঁর লার্জার দ্যান লাইফ ইমেজ তৈরিতে লেগে পড়েছে মিডিয়া। সেই  সুযোগ হাতছাড়া করতে রাজি নয় কট্টর মোদি বিরোধীরা। এনডিটিভির এক অালােচনায়  অরুণ শৌরি জানাচ্ছেন গুজরাট দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি ইস্তফা দিন চেয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। সেই দাবিতে নাকি সিলমোহর দিয়েছিলেন লালকৃষ্ণ অাদাবানি স্বয়ং। গোধরা দাঙ্গার পর পরই বিজেপির কর্মসমিতির সভা ছিল গোয়াতে। ঠিক ছিল সেখানেই গুজারাতের তত্কালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইস্তফা দেবেন। অরুণ শৌরির দাবি কর্মসমিতির সভা শুরুর অাগে উঠে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন তাঁর জন্য দলের ছবি খারাপ হয়েছে, তিনি ইস্তফা দিতে চান। এর পরই নাকি সভাস্থল থেকে মোদির সমর্থনে অাওয়াজ উঠতে শুরু করে। অরুণ শৌরির দাবি সেদিনই বাজপেয়ীর বিরুদ্ধে কার্যত ক্যু সংগঠিত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দলের অধিকাংশ নাকি মোদির পক্ষে থাকায়  বাজপেয়ীর চেয়েও মোদিকে সরাতে পারেননি। শৌরির দাবির কাছাকাছি বক্তব্য শুনিয়েছেন মুরলিমনোহর যোশীও। ঘটনা হয়তো সত্যি। এদের বক্তব্যের মূল দিক হচ্ছে বাজপেয়ীর উদার দিকের ব্যাখ্যান করে মোদিকে অাক্রমণ করা। কিন্তু এরা হয়তো ভুলে যাচ্ছেন ওই গোয়াতেই এক প্রকাশ্য সভায় গুজরাট দাঙ্গার জন্য গোধরায় সবরমতি এক্সপ্রেসের করসেবকদের পুড়িয়ে মারাকেই দায়ী করেছিলেন বাজপেয়ী স্বয়ং। বাবরি মসজিদ ধ্বংস হোক তা হয়তো চান নি বাজপেয়ী,  কিন্তু ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবকদের অযোধ্যায় গিয়ে করসেবা করার জন্য উত্তেজক ভাষণ দিয়েছিলেন এই অটল বিহারী বাজপেয়ীই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে মোদি খারাপ বাজপেয়ী মহান , এই কৌশলে মোদি বিরোধীদের বা গোষ্ঠীর সুবিধা হতে পারে হয়তো, তবে মোদিই যে বাজপেয়ীর উত্তরসূরী তা অস্বীকার করা যায় না।