নাগরিকপঞ্জীর বিরুদ্ধে সরব মমতার ২০০৫ সালে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে অবস্থান ছিল ঠিক উল্টো

অসমে নাগরিকপঞ্জীর চূড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাওয়া সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রক্তপাত হতে পারে বলে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে দিল্লির রাজনীতির হাওয়া গরম করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তাল হয়েছে সংসদ। কিন্তু ২০০৫ সালে এরাজ্যে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ নিয়ে ঠিক উল্টো অবস্থান নিয়েছিলেন মমতা । ২০০৫ সালের ৪ অগষ্ট লোকসভায় মমতা বলেছিলেন বাংলায় অনুপ্রবেশকারীর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর অাকার ধারন করেছে, তিনি এই বিষয় লোকসভা অালোচনার দাবি জানিয়ে ছিলেন। তত্কালীন স্পিকার মমতার এই দাবি মানেননি। এরপর যা ঘটেছিল তা অারো নাটকীয়। সেই সময় সভা পরিচালনা করছিলেন ডেপুটি স্পিকার চারঞ্জিত সিং অাটওয়াল। পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তার দিকে একগুচ্ছ কাগজ ছুড়ে দেন মমতা। সেই সঙ্গে ইস্তফাও দেন সাংসদপদ থেকে। তবে যেহেতু নিয়ম মেনে ইস্তফা দেওয়া হয়নি তাই তাঁর ইস্তফা গৃহীতও হয়নি। পুরো বিষয়টি টুইট করে অরুণ জেটলি বলেছেন এরকম অস্থিরমতীর কোন মানুষের হাতে কি দেশের সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দেওয়া যায়।  নাগরিকপঞ্জীর সমর্থনে অরুণ জেটলি যাই বলুন, এটা যে সমাজকে ধর্মীয় ও ভাষাগত দিক থেকে মেরুকরণের চেষ্টা তাতে সন্দেহ নেই অনেকেরই। তবে ২০০৫ সালে মমতার কাণ্ডকারখানা সামনে অাস্তে তাঁর ইমেজে যে খানিকটা ধাক্কা লাগলো তাতে কোন সন্দেহ নেই।

,