ধর্মঘটের ৩দিন পরও চা শ্রমিকদের ২৩৯ টাকার ন্যূনতম মজুরির দাবি মানতে নারাজ রাজ্য,

দোকানে গিয়ে চা পাতা কিনতে গেলে চায়ের দাম বাড়ার বিষয়টা জানা যায়। তবে শহরে থেকে চা শ্রমিকদের অসহায় অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। মাঝে মধ্যে বন্ধ চা বাগানের শ্রমিকেদর অনাহারে মৃত্যুর খবর অাসে বটে। ৬ অগস্ট রাজ্য সরকারের শ্রম সচিবের প্রস্তাবিত দৈনিক ১৭২টাকার ন্যূনতম মজরি মানতে নারাজ চা শ্রমিকেরা। তাই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া তরাই ও ডুয়ার্সের চা শ্রমিকরা দৈনিক ন্যূনতম ২৩৯ টাকা দৈনিক মজুরির দাবিতে জয়েন্ট ফোরামের ডাকে ৭ অগস্ট থেকে ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন। শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভয় দেখিয়ে পুলিস দিয়ে জোর করে ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টা চলছে।