শাসকদের মুখ পুড়লো!রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের ভোট প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামি নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বলবত থাকবে।এই সময়ের মধ্যে য়াবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রক্রিয়া নতুন করে করতে হবে।বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশে কার্যত রাজ্যের শাসক অনুগামি চিকিতসক সংগঠনগুলি চাপে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।   অভিযোগ ছিল প্রথম থেকেই। রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনেও সরকার অনুগামি চিকিত্সক সংগঠনগুলি যে নানা ভাবে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতে সচেষ্ট তার বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরর্স ফোরাম থেকে শুরু করে একাধিক চিকিত্সক সংগঠন।ব্যালট ছাড়া খালি খাম পাঠানো থেকে নানাভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার প্রয়াস চলছিল বলে অভিযোগ।মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচন প্রক্রিয়া চালানোর দায়িত্বে থাকা রেজিস্টারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।শেষ পর্যন্ত অভিযোগ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিবাদী চিকিত্সক সংগঠনগুলি।তারই ফল বৃহস্পতিবারের আদালতের নি্র্দেশ।এই নির্দেশে স্বাভাবিকভাবেই খুশি প্রতিবাদী চিকিত্সক সংগঠনগুলি।ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের সভাপতি রেজাউল করিম জানিয়েছেন,কলকাতা হাইকোর্টের প্রাথমিক পর্যবেক্ষনে তাঁদের অভিযোগের সত্যতাই প্রমাণ হল। শাসক দলের অনুগামিরা যে মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনটাকেও প্রহসন করে তুলতে চেয়েছিল,তার বিরুদ্ধে তাঁরা প্রথম থেকেই সোচ্চার হয়েছিলেন,এবং ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। তারই ফল স্বরূপ তাঁরা আদালতের সহায়তায় মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনকে প্রহসন বানানোর চক্রান্তকে প্রথম পর্যায় অন্তত প্রতিহত করতে পারলেন বলে মনে করেন চিকিত্সক রেজাউল করিম । আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার অনুগামী প্রোগ্রেসিভ ডক্টর এ্যসোসিয়েসনের প্রতিক্রিয়া জানতে বার বার তাদের কয়েক জন সদস্যকে ফোন করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেন নি।

,