নরেন্দ্র দাভোলকরের খুনে অভিযুক্ত শিবসেনার প্রাক্তন কাউন্সিলর গ্রেফতার

যুক্তিবাদী নরেন্দ্র দাভোলকরের খুনে অভিযুক্ত শচীন প্রকাশরাও অান্দুরেকে গ্রেফতারের পর এবার গ্রেফতার অারেক অভিযুক্ত। শিবসেনার প্রাক্তন কাউন্সিলর শ্রীকান্ত পানগারকরকে অবশ্য হিন্দু সংগঠনের বিরুদ্ধে অস্ত্র মজুত ও বোমা বানানোর অভিযোগে  গ্রেফতার করে মহারাষ্ট্র এটিএস। পরে জালনা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের প্রাক্তন কাউন্সিলর  শ্রীকান্ত পানগারকরকে নরেন্দ্র  দাভোলকরকে খুনের অভিযোগে নিজেদের হেফাজত  নেয় সিবিঅাই। নরেন্দ্র দাভোলকরকে যে শ্যুটাররা  গুলি করে তাদের মধ্যে একজন শচীন অার মোটর সাইকেলে সওয়ার ছিলেন শ্রীকান্ত। ২০১৩ সালের ২০ অগস্ট পুণেতে খুন হন দাভোলকর। নরেন্দ্র দাভোলকরের খুনের দীর্ঘ ৫ বছর পর হাতগুটিয়ে বসেছিল সিবিঅাই। শুক্রবারই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে তিরস্কার করে  বোম্বে হাইকোর্ট। কার্যত বোম্বে হাইকোর্টের ধমকের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার খুনি। প্রশ্ন উঠছে তাহলে এতদিন ঘুমোচ্ছিল কেন সিবিঅাই? শুধু যে গুলি চালিয়েছে সেই খুনি নয় এর পিছনে যে মাথা কাছ করেছে অাসল দোষী তারাও। তাদের কি কোন দিন গ্রেফতার করা হবে?

শুধু নরেন্দ্র দাভোলকর বা পানসারে বা গৌরি লঙ্কেশ বা কালবুর্গি নয়। কয়েকদিন অাগে রাজধানীর রাস্তায় গুলি করা হয়েছে জেএনইউ এর ছাত্র উমর খালিদকে। দিল্লিতে হাই সিকিরিউটি জোনে এত বড় কাণ্ড ঘটানোর সাহস পায় কী করে? মিডিয়া রিপাের্ট অনুযায়ী হামলকারী নাকি জানিয়েছে উমর খালিদকে হত্যা করতে পারলে তা  নাকি স্বাধীনতা দিবসে দেশকে দেওয়া উপহার হত। এই মানসিকতা বাড়ছে। অার বাড়ছে বলেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে মুম্বই থেকে গ্রেফতার হওয়া উগ্র হিন্দু সংগঠনের সদস্য বৈভব রাউতের সমর্থনে এলাকার মানুষ রাস্তায় নামেন। রাউতের গ্রেফতারের প্রতিবাদে নাল্লাসোপারা এলাকার ৬০০০ মানুষ মিছিল করেন।  পুলিসের দাবি গোরক্ষার নামে সংগঠন তৈরি করেছিল রাউত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে অাসলে দেশজুড়ে এক উগ্র মুসলীম , সংখ্যালঘু বিদ্বেষের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে যেখানে তাদের বিরুদ্ধে  হিংসাকে হাতিয়ার করাকে মান্যতা অাদায় করে নেওয়া হচ্ছে এইভাবে।