২০১৯ এর লোকসভা ভোটের অাগে চিটফান্ড তদন্তে ঘুম ভেঙে জাগছে সিবিঅাই?

মিডিয়া রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে যে এ রাজ্যের ৪ আইপিএস অফিসারকে আবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিঅাই।রাজ্য পুলিশের রাজীব কুমার,তমাল বসু,বিনীত গোয়েল ও অবসরপ্রাপ্ত পল্লবকান্তি বসুকে সারদা তদন্তে আবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই। রাজ্য পুলিশের ডিজি কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে সিবিআই।যদিও রাজ্য প্রশাসনের কেউই সিবিআইয়ের এই নতুন করে রাজ্য পুলিশের কর্তাদের জেরা করতে চাওয়া নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।তবু সব স্তরে যে প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে তা হল,সারদা তদন্ত তো প্রায় ঘুম ঘরে চলে গেছে বলে মনে হচ্ছিল,সেটা আবার জেগে উঠতে শুরু করল কেন?তবে কী আসন্ন ২০১৯ এর দিকে চোখ রেখেই আবার নড়েচড়ে বসতে শুরু করল সিবিআই!আবার কী শুরু হল রাজ্যের শাসক দলকে চাপে রাখার কৌশল?সুপ্রিমকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তদন্ত শেষ করতে কিন্তু তদন্ত কারীরা যেন মাঝে মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন।ইতিমধ্যে সারদা মামলায় যাদের ধরা হয়েছিল,সেইসব নেতা কর্মীরা একে একে সবাই জামিন পেয়ে গেছেন।কোন ক্ষতিগ্রস্তরাই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কোন নিশ্চয়তা পান নি।সুপ্রিম কোর্টও তদন্তের গতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইতিমধ্যই।কোন এক অজানা কারণে বার বার ঝিমিয়ে পড়েন সিবিআইয়ের অফিসাররা।রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের জেরা করার দরকার হলে তা এতদিন পড়ে কেন?কেন এই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে দেরি করে তদন্তকারী সংস্থা?কেন নির্বাচনের আগে আগে গতি বেড়ে যায় তদন্তের?দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক সবাই চায়,কিন্তু সেই ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া যদি নির্বাচনি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়,তাতে সারদায় টাকা রেখে যে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঠকে গেছেন তাদের কি লাভ?সরদার তদন্ত হোক সাধারণ মানুষের স্বার্থে,কোন রাজনৈতিক দলের লাভ ক্ষতির হিসেব কষে নয়।দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বোধহয় সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশ জারি করার সময় এসে গেছে।