পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে হিংসার জেরে নিহত ৩, ফের প্রমাণ হিংসা বঙ্গ জীবনের অঙ্গ

এরাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে যে হিংসার যেরে ৩৪ শতাংশ অাসনে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেনি তা মানতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। ফলে উল্লসিত শাসদল। এবার তাই পঞ্চায়েত ভোট গঠন পর্বেও শুরু হয়েছে হিংসা। সোমবার পুরুলিয়ার জয়পুর ও মালদহে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে চললো বোমা গুলি। জয়পুরে নিহত হয়েছেন ১ বিজেপি সমর্থক। বিজেপির দাবি পুলিসের গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে মালদহের মানিকচকে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে নিহত হয়েছেন ১ তৃণমূল কর্মী সহ ২।

এইদিনে শহরের ভর্তিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লিফলেট বিলি করতে গিয়ে অাক্রান্ত হয়েছেন  প্রতিবাদী ছাত্ররা। এখানেও অভিযুক্ত শাসকদল। অাসলে রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা প্রতিদিনকার ঘটনা। কখনও তা অাকার নেয় ভোট ঘিরে কখনও বা তা ঘটে শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ করলে। বছরের ৩৬৫ দিনই চলে চাপা সন্ত্রাস। যা খালি চোখে হয়তো দেখা যায় না। অাপনি পাড়ায় শাসকদলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে দেখুন একটাও মার মাটিতে পড়বে না। অথচ অামাদের শাসকেরা সবাই অহিংসায় বিশ্বাসি, অধিকাংশ অাবার স্বঘোষিত গান্ধীবাদীও। অাসলে ক্ষমতায় অাসতে ও বিশেষ করে ধরে রাখতে হিংসা বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। রকম ফের অাছে। ব্যতিক্রম থাকতে পারে, তাছাড়া  সর্বত্রই একই ছবি। মানুষের রায় শাসকদলগুলির কাছে প্রয়োজনীয় , অাবশ্যক নয়। নরম বা গরমে তা তারা অাদায় করেই নেই। তাই পঞ্চায়েত ভোট থেকে কলেজ নির্বাচন সর্বত্র হিংসা বা দাদাগিরির এই প্রদর্শন চলবে যতদিন না অামজনতা  এর বিরুদ্ধে রাস্তা নামবে।