একলা মনের দখল নিতে চায় মারণ খেলা

নীল তিমির পর আর এক অনলাইন উপদ্রপ শুরু হয়েছে আমাদের সমাজ জীবনে, শোনা যাচ্ছে তার নাম মোমো।এও নাকি এক অন লাইন গেম,যার শেষ নাকি মৃত্যুতে।অল্প বয়সী তরুণ তরুণীাদের নাকি আহ্বান করা হচ্ছে এই মারণ খেলায়।কারা অংশ নেয় এই সব খেলায়?কেন অংশ নেয়,কিসের তাড়নায়?উত্তর খুঁজেতে বসলে দেখা যাবে,সেই সব অল্প বয়সীরা এই সব মারণ খেলার প্রতিযোগি যারা সমাজের অন্য যে কোন সমস্যা থেকে মুখ ঘুরিয়ে রাখে,যারা একাকি নিঃসঙ্গ।যারা সবার মধ্যে থেকেও বন্ধু পায় না,পায় না কোথাও হৃদয়ের পরশ,বিবেকহীন প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়ে ছুটতে ছুটতে যারা ক্লান্ত অবসন্ন,জীবনটা যাদের কাছে বিবর্ণ বোধ হয়,তারাই রোমাঞ্চ পেতে আচমকাই ঢুকে পড়ে এইসব মারণ খেলার গহ্বরে।নিজেদের নিস্তেজ জীবনকে উত্তেজক করে তোলার এও এক নেশা।এই নেশার কথা জানে এই মারণ খেলার কারবারিরা,তাই তো একের এক  শিকার খুঁজে নেয় তারা।একাকি শৈশব ও তারুণ্য যখন ফেসবুক বা ওয়াসআপে স্টেটাস দেয় মন খারাপের,তখন সেই সূত্র ধরেই এই সব মারণ খেলার আ্যাডমিন বেছে নেয় তাদের সম্ভাব্য শিকার।এই সব মারণ খেলা দখল নিতে চায় একলা মনের,নিঃসঙ্গ মানুষের।এর মোকাবিলায় তাই শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিলেই হবে না,বোধ বুদ্ধি আর ভাবনার আপডেট চাই,চাই সংবেদনশীলতার বিনিময়ও।শৈশব কৈশরের মন খারাপ করা সকাল বিকেলগুলোকে যদি পল্টাতে না পারা যায় তাহলে এই মারণ খেলা বার বার হানা দেবে আমাদের নাগরিক জীবনে,হয়তো অন্য নামে অন্য চেহারায়।নীল তিমি থেকে মোমো এরপ……সাধু সাবধান!!!!