বিশ্ব বিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গে রাজ্যপালের বৈঠক

0
8

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পঠন পাঠন নিয়ে নানা সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে।বিশ্ব বিদ্যালয় গুলিতে শাসক দলের নিয়ন্ত্রন নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি।এরই মধ্যে রাজ্যপাল  কেশরীনাথ ত্রিপাঠি রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলির উপাচার্যকে রাজভবনে ডেকে বৈঠক করার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবার রাজ্যের সাতটি বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য রাজ্যপাল তথা বিশ্ব বিদ্যালয়ের আচার্য়ের সঙ্গে রাজভবনে গিয়ে বৈঠক করেন।রাজ্যপাল বিশ্ব বিদ্যালয়ের খুঁটিনাটি বিষয়ে উপাচার্যদের কাছ থেকে জানতে চান বলে খবর।বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্সি ও যাদবপুরে যে যে সমস্যা হয়েছে তা নিয়েও রাজ্যপাল আলোচনা করেছেন বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।একাধিক বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য রাজ্যপালকে নানা বিষয়ে জানিয়েছেন।বিশ্ব বিদ্যালয়গুলিতে পড়াশুনোর পরিবেশ আর উন্নত করা কী ভাবে যায় সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এদিন বৈঠক শুরু হয় বেলা ১২ নাগাদ।বৈঠক চলে প্রায় তিন ঘন্টা।রাজ্যপাল নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যে গন্ডগোল ও বিক্ষোভ প্রতিবাদ শুরু হয়ে যায় তা নিয়ে উপাচার্যদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।এদিনের বৈঠকে রজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত থাকলেও কিছুদিন আগে রাজ্যপাল যখন বিশ্ব বিদ্যালয় গুলিতে দলীয় নিয়ন্ত্রন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তখন রাজ্য সরকার রাজ্যপালের সেই মতকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য প্রসূত বলতেও দ্বিধা করেন নি।রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে কোন হস্তক্ষেপ তারা মানবেন না বলেও একসময় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল রাজ্যের শাসক দল।তবে এদিনের বৈঠকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীকে ডেকে নিয়ে রাজ্যপাল মূলত রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পঠন পাঠন যাতে মসৃন ও বিতর্ক মুক্ত থাকে সেই বার্তাই দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।এদিন সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এসেছিলেন।রাজভবন সূত্রে বলা হয়েছে এর পর উত্তরবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গেও কিছুদিনের মধ্যেই বৈঠক করবেন রাজ্যপাল।রাজ্যপাল যেভাবে উপাচার্যদের ডেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে জানতে চাইছেন,তাতে রাজ্য সরকার এটাকে কী ভাবে দেখবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।মুখ্যমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে তিনি ফিরে এলে শিক্ষামন্ত্রীকে ডেকে নিয়েও কী রাজ্য সরকারের অসন্তোষ চাপা দিতে পারবেন রাজ্যপাল।বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কীভাবে চলা উচিত সে বিষয়ে মত দেবেন রাজ্যপাল,উপাচার্যদের পরামর্শ দেবেন রাজ্যপাল,আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের মাইনে দেন বলে দাবি করেন যাঁরা তারা সে সব চুপচাপ হজম করবেন তা হবে কি?প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে শিক্ষা মহলেই।