চিকিত্সক নিগ্রহে অভিযুক্ত ওসিকে গ্রেফতার না করলে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

সম্প্রতি সিএমআরআই  হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার যে অভিযোগ উঠেছে যাদপপুর থানার ওসি পুলক দত্তের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে  FIR না করায় সোমবার সন্ধের সময় অালিপুর থানার সামনে কিছুক্ষণ পথ অবোরধ করেন চিকিত্সকদের একাংশ। এদিন অভিযুক্ত পুলক দত্তের শাস্তি দেওয়ার দাবিতে ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম,শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ সহ রাজ্যের একাধিক চিকিত্সক সংগঠনের ডাকে সোমবার পথে নামলেন ডাক্তারদের একাংশ। সোমবার বিকেলে সিএমআরআই এর সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়ে যায় আলিপুর থানা পর্যন্ত। কেন এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত পুলিস অফিসার বিরুদ্ধে FIR  করা হয়নি তা জানতে চান চিকিত্সকেরা।  পুলিসের তরফে কোন সদুত্তর না মেলায় থানার সামনে কিছুক্ষণের জন্য পথ অবোরধ করেন তারা।  বুধবারের মধ্যে পুলক দত্তকে গ্রেফতার  না করলে  হাসপাতালে ১ ঘন্টার কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে চিকিত্সকদের কয়েকটি সংগঠন।

যে ভাবে একজন কর্তব্যরত ডাক্তারকে পুলিশের হুমকি ও নিগ্রহের সামনে পরতে হয়েছে তা সমস্ত চিকিত্সকদের কাছেই অত্যন্ত অসম্মানের বলে মনে করছেন চিকিত্সকদের একাংশ । কোন কোন মোহল থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে যে অভিযোগকারী চিকিত্সকটি অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে নিয়েছেন।তবে এই যুক্তি মানতে রাজি নয় প্রতিবাদী ডাক্তার সংগঠনগুলি,তাদের বক্তব্য এভাবে বিষয়টি একান্তে মিটে যায় না,কারণ প্রশ্নটা কোনভাবেই কোন এক ব্যক্তি ডাক্তারের নয়,এর সঙ্গে জরিয়ে সমগ্র ডাক্তার সমাজের নিরাপত্তার বিষয়।ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডাক্তার রেজাউল করিম জানিয়েছেন,ঘটনার পরে এতদিনেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন বিবৃতি পাওয়া যায় নি,উল্টোদিকে কলকাতা পুলিশ তাঁদের ফেসবুক পেজে ঐ অভিযুক্ত পুলিশ অভিসারের পক্ষ নিয়ে সাফাই দিচ্ছে,এতেই বোঝা যায় বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারছে না প্রশাসন,তাই তাদের বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে পথে নামা জরুরি।সিএমআরআই কর্তৃপক্ষও যে নিগৃহিত ডাক্তারের পাশে সেভাবে দাঁড়াচ্ছে না সে অভিযোগও উঠতে শুরু করেছে।এ প্রসঙ্গে শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগের পক্ষ থেকে ডাক্তার পূন্যব্রত গুন জানিয়েছেন,নিগৃহিত ডাক্তারটি ভিন রাজ্যের,তাই তাঁকে কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ একযোগে চাপ দিচ্ছে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে,এই চাপ এড়িয়ে যাওয়া কঠিন,তবে এখনও অভিযোগ প্রত্যাহার করেন নি অভিযোগকারী।ডাক্তার গুনের কথায় অভিযোগ প্রত্যার করলেও বিষয়টির গুরুত্ব আদৌ কমে না,এখানে প্রশ্নটা ডাক্তারদের নিরাপত্তার,উর্দিধারীরাই যদি সেই নিরাপত্তা বিষয়ে উদাসিন হন তাহলে অন্যরা কী করবেন তা সহজেই অনুমেয়।

, ,