সরকার চাইলে পেট্রল ডিজেলের দাম কমাতে পারে

রোজই বাড়ছে পেট্রল ‌ডিজেলের দাম। বাড়ছে পরিবহণ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর দাম। অসহনীয় হয়ে উঠেছে জনসাধরণের জীবন। সরকার বলছে বিশ্ববাজারের জ্বালানী তেলের দাম বাড়ছে তাই দেশেও দাম বাড়ছে। তাছাড়া ডলারের তুলনায় টাকার দামও কমছে ফলে তেল অামদানিতে বেশি টাকা লাগছে। দুটো কথাই পুরোপুরি সত্যি নয়। বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম এখন প্রতি ব্যারেল ৮০ ডলারের নীচেই রয়েছে অথচ বছর দুয়ের অাগে তা পৌঁছেছিল ১১৫ ডলারে। দ্বিতীয়ত  কেন মার্কিন হুমকির জেরে  ইরান থেকে কম জ্বালানি তেল অামদানি করছে ভারত।  ইরান তো টাকাতে তেলের দাম পরিশোধের সুযোগ দিত ভারতকে। মুখে যাই বলুক মার্কিন প্রশাসনের হুমকি ভারতের উপেক্ষা করতে পারছে না তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। জুন মাসে ইরান থেক ২৫ শতাংশ কম জ্বালানি তেল অামদানি করেছে ভারত। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মে মাসে  ইরান থেকে প্রতিদিন গড়ে সাত লক্ষ সত্তর হাজার ব্যারেল তেল অামদানি করতো ভারত। জুন মাসে তা কমে প্রতিদিন সাড়ে ৫ লক্ষ ব্যারেল দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অামেরিকা। অার তাই সেই দাদাগিরি মানতে হবে ভারতকেও।  এর অাগেও মার্কিন চাপের জন্য ইরান থেকে ভারতে গ্যাস অানার পাইপ লাইন বসানোর বিষয়টি ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়েছে ভারত। চাইলেই পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার , প্রশ্ন হচ্ছে  দাদারা চাইবেন কি?

,