ভরত বনধে মিশ্র সাড়া রাজ্যে

ভরত জুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেস ও বাম দলগুলির ডাকে বনধে মিশ্র সাড়া মিলল রাজ্যে।পেট্রপন্যের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ হওয়া উচিত মনে করলেও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল বনধের সর্বাত্মক বিরোধিতা করেছে,সরকারি অফিসগুলিতে হাজিরার জন্য কড়া পদক্ষেপ হিসেবে সোমবার উপস্থিত না হলে চাকরির মেয়াদ একদিন কমে যাওয়া থেকে,শুরু করে উপস্থিত না হওয়ার কারণ জানানোর জন্য হশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এমনকী বাস ট্যাক্সি রাস্তায় নামানোর জন্যও চাপ ছিল।সরকারি হুমকির কারণে বনধের তেমন কোন প্রভাব শহর ও সরকারি অফিসে না দেখা গেলেও জেলা ও বিভিন্ন মফঃস্বল  এলাকায় এদিন রাস্তায় লোকজন যথেষ্ট কমই ছিল।বিভিন্ন জেলায় কংগ্রেস ও বামেরা মিছিল বের করেছিল।শাসক দল একাধিক জায়গায় জোর করে দোকান পাট খুলতে বাধ্য করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।সোমবার মালদা ও কলকাতায় যথাক্রমে কংগ্রেস ও সিপিএমের বড় মিছিল হয়।মুর্শিদাবাদেও রাজ্য প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির নের্তৃত্বে মিছিল হয়।কলকাতায় বামেদের মিছিলে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্য কান্ত মিশ্র ছাড়াও বিমান বসু,সুজন চক্রবর্তীরা উপস্থিত ছিলেন।তবে সোমবার বনধের সর্বাত্মক বিরোধিতা করলেও,পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামে তৃণমূল কংগ্রেসও।ধর্মতলায় তৃণমূসের সভায় রাজ্যের বিদ্যুতমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন কর্মনাশা বনধ ডেকে নয় তারা মিছিল করেই প্রতিরোধ গড়তে চান কেন্দ্রের শাসকের বিরুদ্ধে।তবে প্রতিবাদী বনধ কর্মনাশা হলে,ছটপুজো থেকে জামাইষোষ্টির অর্দ্ধদিবসের সরকারি ছুটি ঘোষণায় কোন যুক্তিতে কর্মের কোন নাশ হয় না সে ব্যাখ্যা অবশ্য শোভনবাবু বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।