ভারত বনধের বার্তা বিজেপিকে চাপে রাখবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা

ভারত জুড়ে যে বনধের ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস ও বাম দলগুলো গোটা দেশে তার সর্বাত্মক প্রভাব পড়বে এমনটা কেউই ভাবেন নি।তবে সোমবার ভারত বনধের যে বার্তা তা কিন্তু বিজেপির কাছে মোটেই সুখের নয় বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্ষবেক্ষকরা।নরেন্দ্র মোদীর নিজের রাজ্য গুজরাটে বনধ নিয়ে একাধিক সংঘর্ষ ও বিক্ষোভ হয়েছে।রাস্তায় নেমে গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছেন বনধের সমর্থকরা।কর্ণাটক ও বিহারেও একই ছবি দেখা গেছে।দক্ষিণের রাজ্য গুলিতে তো বটেই উত্তর প্রদেশেও বনধের বেশ খানিকটা প্রভাব দেখা গেছে।পেট্রপন্যের দাম যে ভা্বে বাড়ছে তাতে বিজেপি সরকারের পাশে দাঁড়াতে চাইছে না বিজেপির সহযোগী দলগুলিও।এ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বনধে সামিল না হলেও পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বিজেপিকে বিঁধতে ছাড়ছে না।অনেকেই মনে করছেন বনধ নিয়ে মানুষের যতই অনিহা থাকুক এই ইস্যুটা কারোর পক্ষেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।কোন কোন রাজ্যে কংগ্রেসের সংগঠন না থাকা সত্ত্বেও যে ভাবে বনধে মানুষ সাড়া দিয়েছেন তাতে পর্ষবেক্ষকদের মতে এটা মানুষের সমস্যা বলেই রাজনৈতিক ক্ষমতার বিচার না করেই মানুষ তাদের সমর্থন দিতে শুরু করেছেন।এ রাজ্যের শাসক দল যে ভাবে বনধের সর্বাত্মক বিরোধিতা করেও পথে নেমে সোমবারই পেট্রল ডিজেলের দাম বৃদ্ধির  প্রতিবাদ জানিয়েছে তার পেছনেও একটাই কারণ ইস্যুটা সাধারণ মানুষকে টানছে।সেদিক থেকে কংগ্রেস সভাপতি রাহল গান্ধী যে একটা মোক্ষম চালই দিয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।এমন একটা ইস্যুকে তিনি সামনে নিয়ে এলেন যে তাকে উপেক্ষা করতে পারছে না কেউই।সোমবার পথে নেমে সারা দিন মিছিলে ব্যস্ত থেকে রাজীব তনয় বুঝিয়ে দিলেন তিনি পরিণত হচ্ছেন,বিজেপি নেতারা যতই তাঁকে পাপ্পু বলে কটাক্ষ করুন না কেন,পর্যবেক্ষকরা বলছেন সোমবারের ভারত বনধের বার্তা বিজেপিকে চাপে রাখবে,আর বিজেপির জন্য তৈরি করা সেই চাপের প্রধান কারিগরের নাম অবশ্যই রাহল গান্ধী।