বিজয় মালিয়ার লুক অাউট নোটিস লঘু করার সঙ্গে নীরব-মেহুলদের তদন্তের সম্পর্ক কী?

যবে থেকে বিজয় মালিয়া জানিয়েছেন লন্ডনে চলে অাসার অাগে সংসদে অরুণ জেটলির সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার পর থেকে রোজই নতুন নতুন তথ্য সামনে অাসছে। এখন জানা যাচ্ছে বিজয় মালিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে ৯০০০ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ দায়ের করা থাকলেও কোন অজ্ঞাত কারণে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সিবিঅাই। অার সেই অনুমতি দেওয়ার বিষয়টা জানতেনই না তত্কালীন    সিবিঅাই ডিরেক্টর অনিল সিনহা। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে বিদেশ যাওয়া রুখতে ১৬ অক্টোবর২০১৫ সালের লুক অাউট নোটিস ইস্যু করা হলেও তার ১ মাসের মধ্যে ২৪ নভেম্বর সেই নোটিস লঘু করে ফেলে বলা হয়েছিল বিজয় মালিয়াকে বিদেশ যেতে বাধা দিতে হবে না,  ইমিগ্রেসনের তরফে খবরটা সিবিঅাইকে জানিয়ে দিলেই হবে। অার এই সব করা হয়েছিল গুজরাট অাইপিএস ক্যাডারের অফিসার তথা সিবিঅাইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর একে শর্মার নির্দেশে। এই একে শর্মাই এখন নীরব মোদি ও মেহুল চোখসির সাড়ে ১৩ হাজার কোটির প্রতারণার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানাচ্ছে মিডিয়ার একটা অংশ। সুতরাং শুধু বিজয় মালিয়া নয় একাধিক কেসেই সিবিঅাইয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। সিবিঅাইকে খাঁচায় বন্দি তোতা বলেও উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে বিজয় মালিয়ার পর নীরব -মেহুলের দেশ ছেড়ে পালানোর পিছনে যে অত্যন্ত বড় প্রভাবশালীর হাত রয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তা কোন দিন জানা যাবে কিনা সন্দেহ  রয়ে যাচ্ছে। কারণ তদন্তকারী এজেন্সির স্বচ্ছতা নিয়েই উঠে যাচ্ছে প্রশ্ন।

সূত্র এনডটিভি, ছবি টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সৌজন্যে