ইসলামপুরে গুলিচালানোর প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে ছাত্র বিক্ষোভ

ইসলামপুরে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের জেরে যেভাবে গুলিতে দুই তরুণের মৃত্যু হয়েছে তার প্রতিবাদে শনিবার রাজ্যজুড়ে বাম ছাত্র সংগঠনগুলির প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলে।কলকাতার কলেজস্ট্রিট ও ধর্মতলায় এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের তরফে রাস্তা অবরোধ করা হয়।প্রতিবাদী মিছিল করে অবিলম্বে গুলি চালানোর অপরাধে দোষী পুলিশকে শাস্তি দেওয়ার দাবি তোলা হয়।এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় গুলি চালিয়ে ঘটনার দায় এড়িয়ে যেতেই রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর নবান্নের নির্দেশেই গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করে যাচ্ছে উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ প্রশাসন।অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করে দোযীদের শাস্তির ব্যবস্থা না করলে লাগাতার আন্দোলনের পথে যাওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয় বাম ছাত্র সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে।এদিন বিজেপির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকেও শিলিগুড়িতে ছাত্র বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়,সেখানে পুলিশ তাদের উপর বেপরোয়া লাঠি চার্জ করেছে বলে অভিযোগ করে অখিল ভরতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী শনিবার যান ইসলামপুরে।সুজনবাবু  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগ করেন পুলিশই গুলি করে দুজন তরুণকে হত্যা করেছে।এর দায় রাজ্য সরকার কোন ভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না বলে দাবি করেন সিপিএমের পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।রাজ্যের একাধিক মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই গুলি চালানোর ঘটনার তদন্ত দাবি করা হয়েছে।বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের পক্ষ থেতে অভিযোগ করা হয় উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার যে ভাবে তদন্ত হবার আগেই পুলিশ গুলি চালায় নি বলে ঘোষণা করে দিলেন তাতে বোঝাই যাচ্ছে তদন্তে পুলিশকে ছাড় দেওয়ার রাস্তা করে দেওয়া হল।তাই এসএফআই এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি তোলে।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সময়ে গুলিতে প্রতিবাদী মানুষের মৃত্যু হওয়ার পরেও যে ভাবে প্রশাসনের তরফে গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করে,চেপে যাওয়া হয়েছে তাতে বিশ্ময় প্রকাশ করেন,মিরাতুন নাহার,সমীর আইচ,কৌশিক সেন ও আনন্দ মুখোপাধ্যায়ের মত বিশিষ্টজনেরা।

,