CBI ডিরেক্টর ও স্পেশাল ডিরেক্টরের মধ্যে কাজিয়া তুঙ্গে, অাস্থানার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ক্লিনচিট দিতে নারাজ সিবিঅাই

0
7

 

CBI এর মধ্যেকার গণ্ডগোল এবার বাইরে এসে পড়েছে। কিছুদিন অাগেই  CBI এর ডিরেক্টরের অলোক ভার্মার বিরুদ্ধে cvcতে গুজরাট ক্যাডার থেকে অাসা CBI  এর স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ অাস্থানা অভিযোগ ঠুকে দিয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল লালুর বিরুদ্ধে তদন্ত অাটকাতে চাইছেন অলোক ভার্মা। নাম না করে রাকেশ অাস্থানার বিরুদ্ধে  পাল্টা বিবৃতি জারি করে CBI ও। এবার অারেকধাপ বাড়ালো এই গন্ডগোল। মঙ্গলবার গুজরাটের স্টারলিং বায়োটেকের ৫০০০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ প্রতারণা মামলায় ইডি রাকেশ অাস্থানাকে ক্লিনচিট দিলেও তা মানতে নারাজ খোদ  CBI ডিরেক্টর । ইডি জানিয়েছে  ওই কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের থেকে অাস্থানার  টাকা নেওয়ার কোন প্রমাণ তারা পাননি। সিবিঅাইও তাদের তদন্তে অাস্থানার বিরুদ্ধে কখনও FIR  করেনি। একটি টিভি চ্যানেলকে সিবিঅাই ডিরেক্টর জানিয়েছেন অাস্থানার বিরুদ্ধে ওঠা ৬টি মামলায় যথেষ্ট জটিল। সিবিঅাইয়ের ২ কর্তার কাজিয়া কোথায় গিয়ে শেষ হয় এখন দেখার সেটাই।

কী সেই ৫০০০ কোটির ব্যাঙ্ক ঋণ কেলেঙ্কারি

গুজরাটের ভদোদরার ওই কোম্পিনর নাম। স্টারলিং বায়োটেক। মালিকদের নাম নীতিন ও চেতন সানদেসারা। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী  স্টারলিং গোষ্ঠীর প্রায় ৪৭০০ কোটি টাকার স্থাবর – অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি।  তবে একটু দেরিতে। ২০১৭ সালের অক্টোবরে স্টারলিংয়ের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়। এবারো মালিকরা দেশে ছেড়ে পালিয়েছে।

অন্ধ্রা ব্যাঙ্ক সহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কনসোর্সিয়াম স্টারলিং বায়োটেককে ঋণ দেয় ৫৩৮৩ কোটি টাকা। পুরোটাই জাল নথি দিয়ে। অার প্রায় ৩০০টি ভুয়ো কোম্পিন তৈরি করে সেই টাকা দেশে ও দেশের বাইরে নামে বেনামে পাচার করে দেয়। দেশের মধ্যে কেনে বিলাসবহুল গাড়ি, জমি। এত বড় ঋণ প্রতারণা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই ঋণ প্রতারণার সঙ্গে যে ব্যাঙ্কের উচ্চ পর্যায়ের অাধিকারিকরা যুক্ত তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অন্ধ্রা ব্যাঙ্কের এক প্রাক্তন অধিকর্তাকেও। নাম জড়িয়েছে খোদ সিবিঅাইয়ের বর্তমান স্পেশ্যাল ডিরেক্টর রাকেশ অাস্থানার।

ছবি অমরউজালার সৗেজন্যে