তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার এমজে অাকবরে, লজ্জার পরিবর্তে হুমকির পথেই হাঁটলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

0
15

 নাইজেরিয়া থেকে ফিরেই তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যৌন হেনস্তার অভিযোগকে অপপ্রচার। কুত্সা বলে উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী এমজে অাকবর। শুধু অভিযোগ অস্বীকার করাই নয় যেসব মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে অাইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন অাকবর। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগকে অাসন্ন লোকসভা ভোটের সঙ্গেও কৌশলে জুড়ে দিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতি জারি করে প্রত্যেকের অভিযোগই খন্ডন করেছেন অাকবর। অাকবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর দল যে তাঁর পাশেই অাছে তা বুঝিয়ে দিয়েছিল বিজেপি। তাই অাকবর লজ্জার পরিবর্তে  পাল্টা হুমকির পথ ধরেই মুখ বন্ধ করতে চাইছেন নিগৃতাদের। অন্তত এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

  বিজেপির সাংসদ তথা সাংবাদিক এমজে অাকবরের বিরুদ্ধে এক ডজন মহিলা মিটুর জেরে মুখ খুলেছেন। মহিলা সাংবাদিক গজালা ওয়াহাব। জানিয়েছেন ১৯৯৭ সালে এশিয়ান এজে কাজ করার সময় এমজে অাকবরের যৌন হেনস্তার শিকার হন তিনি। দিনের পর দিন অফিসের কেবনি কাজের ছুতোয় ডেকে কীভাবে তাঁকে যৌন হেনস্তা করা হতো তার বিস্তারিত বিবরণ লিখেছেন দ্য ওয়ের ওয়েবসাইটে সাংবাদিক গজালা ওয়াহাব।

শুধু  গজালা ওয়াহাবই নন একাধিক মহিলা এমজে অাকবরের হাতে যৌন হেনস্তার শিকার। ১৯৯৫ সালে   এশিয়ান এজে  চাকরির ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য তাজ বেঙ্গলের হোটেল তাকে ডাকা হয় এক  মহিলা চাকরি প্রার্থীকে। বিছানা বসে অাকবর  তাঁর ইন্টারভিউ নেন। সন্ধের সময় মদ্যপানের জন্য তাঁকে অামন্ত্রণ করেন অাকবর। বিষযটি যথেষ্ট অস্বস্তিকর হওয়াতে তিনি সেই চাকরির অফার গ্রহণ করেননি বলে জানিয়েছেন ওই মহিলা সাংবাদিক। শুধু অাকবর নয় ছোট বড় সব সংবাদ সংস্থায় মহিলাদের অনেকের সঙ্গেই ঘটেছে এরকম যৌন হেনস্তার ঘটনা। অার এ রাজ্যের সব মিডিয়া হাউসেই কানপাতলে শোনা যায় এরকম অসংখ্য অভিযোগ। কাঠগড়ায় অাবার নামি দামি সাংবাদিকরা। চাকরি হারাবারর ভয়ে কেউ মুখ খলতে সাহস করেন না। এবার দেখার তনুশ্রী এদের ভাষা জোগাতে পারে কিনা?

 

সৌজন্যে দ্য ওয়ার