দেশে অার্থিক সংস্থার লুটেপুটে খাওয়ার সংস্কৃতির নবতম সংযোজন IL&FS ?

ইতিমধ্যেই IL&FS  এর পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন ডিরেক্টর নিয়োগ করেছে সরকার। সত্তমের পর অাবার কোন কোম্পানির পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তার দায়িত্ব নিল সরকার। প্রধাননত অার্থিক বেনিয়মের জেরে বাজারে অায়ের থেকে ঋণ পরিশোধের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় কার্যত ‌ডুবতে বসেছে কোম্পানি। একটি বেসরকারি কোম্পানি হিসাবে ১৯৮৭ সালে IL&FS  এর  পথ চলা শুরু। নিজেদের ও অন্যন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ঋণ দিতো এই কোম্পানি। এদের টাকা জোগান দিত ব্যাঙ্ক ও অন্যন্য বিনিয়োগ সংস্থা। ক্রমে রাষ্টায়ত্ত সংস্থার হাতেই মালিকানার মূল অংশ থাকলেও।( LIC এর হাতে রয়েছে ২৫.৩ শতাংশ শেয়ার, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে(৭ .৬৭ ) এসবিঅাই( ৬. ৪২) ছাড়া জাপানের কোরেক্স করপোরেশনের  হাতে (২৩ .৫৪) ও অাবুধাবি ইনভেস্টমেন্টের ( ১২ .৫৬) । ) কোম্পানির  ক্ষমতা ছিল কয়েকজন  কর্তার হাতেই। তারা একদিকে যেমন নিজেদের পেট মোটা করেছে তেমনই পরিচালনার ক্ষেত্রেও  অকর্মণ্যতার পরিচয় দিয়েছে মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার ঋণ খেলাপির কবলে পড়েছে IL&FS । একটি হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে প্রায় ৩৪হাজার কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করতে হবে কোম্পানিকে। কোম্পানি তার বিক্রয় যোগ্য সম্পত্তি বিক্রি করে ১০ হাজার কোটি টাকা তুলতে পারে মাত্র। তাহলে অার কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাপির কবলে পড়তে চলেছে IL&FS । বিশেষজ্ঞদের মতে এর প্রভাব সুদূরগামী। ধাক্কা খাবে বিনিয়োগ। অার তাই অাগেভাবে একটি কোম্পানিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলো সরকার।  কংগ্রেস সভাপতি ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করেছেন। একটি কোম্পানিকে জনগণের টাকায় সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। রাহুলের অভিযোগ কতটা সত্যি তা প্রমাণ সাপেক্ষ কিন্তু একথা সত্যি এদেশে অার্থিক ক্ষেত্রে লুটে পুটে খাওয়ার একটা সংস্কৃতি চলছে দীর্ঘদিন ধরে। অার তার খেসারত দিচ্ছেন অামজনতা। IL&FS এর ব্যতিক্রম নয়।

 

, ,