শহরের রাস্তা জুড়ে জলসা,নাকাল নিত্য যাত্রী

কালী পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেছে কালী পুজোর কয়েকদিন আগেই।তারপর গত তিন চারদিন ধরে শহরের ব্যস্ত রাস্তা জুড়ে সন্ধ্যে থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে জলসা।বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে স্বাভাবিক যান চলাচল।বেসেঘাটা থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত গত কয়েক দিন সন্ধ্যের পর কোন গাড়ি ঘোরা চলাচল করছে না।সল্টলেকের আইটি সেক্টর্ যে সব ছেলেমেয়েরা চাকরি করেন তারা কয়েকদিন ধরে ভয়াবহ সমস্যায় পড়ছেন বাড়ি ফেরবার সময়।নির্দিষ্ট অটো ও বাস সব বন্ধ।বেলেঘাটা জোড়ামন্দির,সিআইটি রোড,থেকে শুরু করে খাললপোল,আসোছায়া সব জায়গাতেই স্থানীয় কাউন্সিলার ও রাজনৈতিক নেতাদের উদ্যোগে চলছে জলসার আসর।অফিস ফেরত যাত্রীরা পড়ছেন মহা সমস্যায়।ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের ব্যয় হয়ে যাচ্ছে রাস্তায় অপেক্ষা করতে করতে।যাত্রারা জানতে চাইছেন কালী পুজো শুরু না হতেই কেন চলছে রাস্তা আটকে,জলসা।মন্ত্রী নেতাদের উদ্যোগ তাই কারোর সাহসে কুলোচ্ছে না প্রতিবাদ করার।কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বেলেঘাটা ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাছে এক পুজো উদ্বোধন করে বলছিলেন তাঁরা নাকি জনগণের অসুবিধা করে কিছু করেন না।অথচ তাঁদের জলসা হুল্লোর যে কত মানুষের সমস্যা করছে তা বুঝতে চান নি।ধর্ম নিরপেক্ষ একটা দেশ ও রাজ্যে অরকমটা হওয়া উচিত নয় তদা বোঝায় কার সাধ্য!সবাই মুখ ও মুখোশ পড়ে থাকেন।রাজ্যজুড়ে এখন মদের মোচ্ছব ও জলসা এবম ডিজের তান্ডব এটাই একমাত্র সত্য।পুলিশ অসহায় কিছু করার নেি তাদের।অফিস ফেরত মানুষজন তাঁদের সমস্যার কথা বললে পুলিশ প্রশাসন তাঁদের অসহায়তার কথাই বলছে।আসলে বিয যখন মাথায় ওঠে তখন যেমন প্রতিষেধক দাগা বাঁধার জায়গা মেলা সম্ভব হয় না তেমনি যে রাজ্যে মন্ত্রীরাই আইন ভাঙতে চায় তখন তাকে আটকায় কে?মন্ত্রী নেতাদের সৌজন্য়ে গোটা রাজ্য়টাই এখন জলসা ক্রেত্র{