জরিমানা ও ফি বাবদ গ্রাহকদের থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা লুট ব্যঙ্কের?

ঋণ দিয়ে আনুমানিক ১০ লক্ষ কোটি টাকা করপোরেটদের থেকে উদ্ধার করতে না পারলেও সাধারণ গ্রাহকদের থেকে ব্যাঙ্কের লুট  অব্যাহত। সংসদে পেশ করা এক তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে গত ৩ বছরে শুধুমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কগুলিই গ্রাহকদের থেকে ন্যূনতম জমা ও এটিএমে( ফ্রি) নির্ধারিত সংখ্যার থেকে বেশি ব্যবহারের জরিমানা বাবদ ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করেছে। এর সঙ্গে রয়েছে বেসরকারি ব্যঙ্কগুলি। তাছাড় বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার নাম করে ( এসএমএস , ঠিকানা বদল ক্যাশ জমা)    ফি আাদয় বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যঙ্কগুলি। মনিলাইফ ফাউন্ডেশনের অনুমান গত কয়েক বছরে গ্রাহকদের থেকে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা লুট করেছে ব্যঙ্কগুলি। শুধু তাই নয় অনেক ক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যঙ্ক সুদে হার কম করলেও তা গ্রাহকদের পাসঅন করে না ব্যঙ্কগুলি। মনি লাইফে প্রকাশিত এক তথ্য অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদ না কমালে গ্রাহকদের থেকে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আদায় করে নেয় ব্যাঙ্ক। গ্রাহকেরা একে অসংগঠিত তার উপর অত বুঝতেও পারেন না ।  তাই গ্রাহকদের কে নিঙড়ে নেওয়ার সহজ রাস্তাটাই বেছে নিয়েছে ব্যঙ্কগুলি। নীরব মোদি বা আম্বানিরাকে দেওয়া ঋণ উদ্ধারের দরকার কি ?

সূত্র মনিলাইফ

,