কাশ্মীরে হত্যার প্রতিবাদে ইস্তফা IAS টপার শাহ ফয়সালের

0
1

২০১০ সালের IAS টপার শাহ ফয়সাল IAS এর সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এক ফেসবুক পোস্টে ফয়সাল জানিয়েছেন কাশ্মীরে নির্বিচারে হত্যা ও দেশের সর্বত্র হিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা মুসলীমদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করার প্রতিবাদে তাঁর এই ইস্তফা। মিডিয়ার জল্পনা তিনি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন। ওমর অাব্দুল্লার দল ন্যাশনল কনফারান্সের হয়ে লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এই প্রথম নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অাগেওসরব হয়েছিলেন ফয়সল। জম্মু -কাশ্মীরে ৩৫এ ধারা বাতিলের প্রয়াসের বিতর্কে নিজেকে যুক্ত করে ফের রাষ্ট্রের চক্ষুশূল হলেন ২০১০ সালের অাএএস ব্যাচের শীর্ষে থাকা শাহ ফয়সাল। ফয়সাল বলেছিলেন ৩৫এ ধারা বাতিল করা মানে নিকাহনামাকে বাতিল করা, অর্থা্ত সম্পর্ক চ্ছেদ করা। ফয়সালের ইঙ্গিত স্পষ্ট। যদিও ফয়সাল জানিয়েছেন ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার বিষয়টি প্রশ্নাতীত। বর্তমানে স্টাডি লিভে অামেরিকায় গবেষণারত ফয়সাল।  গত জুলাই মাসে ফয়সালের করা অন্য একটি টুইটও বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি ব্যাঙ্গাত্মক টুইট করেছিলেন। ফয়সাল লিখেছিলেন “‘Patriarchy + Population + Illiteracy + Alcohol + Porn + Technology + Anarchy = Rapistan!”। অার এর জেরেই তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীরের সরকার। তার কাজের সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়েই নাকি প্রশ্ন উঠেছে। সরকারের শোকজের চিঠিকে বসের পাঠান প্রেমপত্র বলে মজা করে ফয়সাল টুইট করে জানিয়েছেন উপনিবেশিক মানসিকতায় পুষ্ট চাকরির শর্তকে ঢাল করে অামার করা দক্ষিণ এশিয়ার ধর্ষণের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে মন্তব্যকে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে গণতান্ত্রিক ভারতে।  এহেন ফয়সলের অাইএএস ছাড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল বলে মনে করে ওয়াকিবহাল মহল।