শ্রীকান্ত মোহতার ১৪দিনের জেল হেফাজতের মাঝেই ২ দিনের cbi হেফাজত

0
9

চিটফান্ড কেলেঙ্কারিরতে গ্রেফতার হওয়া শ্রীকান্ত মোহতাকে ২ দিনের হেফাজতে পেল সিবিঅাই। প্রথমে সিবিঅাই তাকে হেফাজতে না চাওয়ায় মঙ্গলবার ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায় ওডিশার কুর্দার অাদালত। পরে শ্রীকান্তকে ৫দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চাইলে ২ দিনের জন্য তা মঞ্জুর করে সিবিঅাই অাদালত। প্রথমে শ্রীকান্ত মোহতাকে নিজেদের হেফাজতে না চাওয়ার বিতর্ক এড়াতেই কি সিবিঅাই নিজেদের হেফাজতে নিল শ্রীকান্তকে।। প্রশ্ন উঠছে চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তের ৪ বছর পর এই প্রভাবশালীকে কেন গ্রেফতার করল সিবিঅাই?

অনেকেই হয়তো ভুলে গেছেন ইডি সিবিঅাইকে ম্যানেজ করে দেওয়ার জন্য চিটফান্ড মালিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার। কিন্তু একজনও সিবিঅাই বা ইডি কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে শোনা যায়নি। বরং রোজভ্যালির তদন্তকারী অফিসার মনোজ কুমারের সঙ্গে রোজভ্যালির মালিকের স্ত্রীকে একসঙ্গে হোটেলের লবিতে দেখার পরও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। ফলে সিবিঅাইকে ম্যানেজ করার বিষয়টি নিয়ে জল্পনা চলতেই থাকে। শ্রীকান্ত মোহতার গ্রেফতারের ক্ষেত্রে এরকম কিছু হওয়ার অবশ্য কোন প্রমাণ নেই।

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় সিবিঅাই বৃহষ্পতিবার গ্রেফতার করে সিনেমা প্রযোজক তথা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ শ্রীকান্ত মোহতাকে। শ্রীকান্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ২৪ কোটি টাকা প্রতারণা করেছেন চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালিকে। সূত্রের খবর রোজভ্যালির মালিকানাধীন একটি বিনোদন চ্যানেলে সিনেমা দেখানোর চুক্তি বাবদ ২৪ কোটি টাকা নিয়েছিলেন শ্রীকান্ত মোহতা। তার পরও ছবিগুলি ওই চ্যানেলে দেখানোর জন্য রোজভ্যালিকে দেননি শ্রীকান্ত মোহতা। উল্টো পাওনা টাকা চাইলে রোজভ্যালির মালিক গৌতম কুন্ডুকে হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ।এদিন শ্রীকান্ত মোহতার গ্রেফতারি পর্বেও নাটক চলে দিনভর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী সিবিঅাই গোয়েন্দারা শ্রীকান্তের দফতরে গেলে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা না করে উল্টে পুলিস ডেকে অানেন তিনি। দীর্ঘ নাটকের পর বৃহষ্পতিবার বিকেল নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে অাটক করে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করা হয় শ্রীকান্ত মোহতাকে।

রোজভ্যালির সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা যে শ্রীকান্ত মোহতা প্রতারণা করেছেন সে অভিযোগ গ্রেফতার সঙ্গে সঙ্গেই করেছিলেন গৌতম কুন্ডু। প্রশ্ন উঠছে এদিন পর তাঁকে হঠাত্ গ্রেফতার করল কেন সিবিঅাই? শুধু তাই নয় ৪ বছর পরও চিটফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্তে তেমন কিছু করে উঠতে পারেনি সিবিঅাই। হঠাত্ ঘুম থেকে জেগে উঠেছে তারা। সবথেকে মজার কথা চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে সিনেমা প্রযোজক গ্রেফতার হলেও তা খবর হয় অথচ এই সময় সংবাদপত্রের সম্পাদক সুমন চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হলে তা চেপে যায় মিডিয়া। কেন ?