স্টারলাইট কারখানা খোলার বিষয় সুর কি নরম করছে সরকার?

0
5

তুতিকোরিনে স্টারলাইট কারখানার দূষণের বিষয় যতবার সতর্ক করা হয়েছে ততবারই জোড়াতালি দিয়েছে বেদান্ত কর্তৃপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই জানিয়েছেন তামিলনাড়ু সরকারের অাইনজীবী। অন্যদিকে বেদান্তের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে তাদের হয়রান করছে সরকার। কিছুদিন অাগে স্টারলাইট কারখানা বন্ধের রাজ‍্য সরকারের আদেশ খারিজ করে দেয়  ন্যাশনল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের । এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টর দ্বাারস্থ হয় তামিলনাড়ু সরকার।

 স্টারলাইট খোলার জন্য যারপরনাই সচেষ্ট বেদান্ত। অাগেই এনজিটির কাছ থেকে কারখনা চালুর অনুমতি না পেলেও কারখানার সঙ্গে যুক্ত প্রশাসনিক বিভাগে কাজ করার অনুমতি অাদায় করে নিয়েছিল বেদান্ত। সেই সঙ্গে কারখানার দূষণ বিষয় একটি রিপোর্ট তাদের কাছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে জমা দিতে নির্দেশ দেয়  গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। স্টারলাইটের দূষণের জেরে কারখানা বন্ধের দাবিতে  ১০০দিন ধরে অান্দোলেন পর ২০১৮ সালের ২২ মে করা বিক্ষোভে পুলিস গুলি চালালে নিহত হন অন্তত ১৩জন। অবস্থা বেগতিক দেখে গত ২৮ মে কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার। কিন্তু কারখানা খোলার নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেদান্ত। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে পুনরায় পরিবেশের বিষয় ছাড়পত্রের জন্য অাবেদন করেছে স্টারলাইট। বিজনেজ লাইনের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২০ জুলাই লেকসভায় পরিবেশমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন ১৪ ফেব্রুয়ারি কারখানা সম্প্রসারণের জন্য স্টারলাইটের পরিবেশের ছাড়পত্র চেয়ে করা অাবেদন বিবেচনা করছে কেন্দ্র। ১৩জনের নিহত হওয়া সত্ত্বেও ও কারখানা বন্ধের রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের পরও স্টারলাইট সম্প্রসারণের অার্জিতে ভাবছে কেন্দ্র। এবার ‘নিরপেক্ষ’ কমিটির জমা দেওয়া রিপোর্টও কার্যত ম্যানেজ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকে।  তার উপর সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের অবস্থান অনেকটা নিয়মরক্ষার কৗেশল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। স্টারলাইট খোলা কি তাহলে এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।