জেলাশাসকের বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে সাংবাদিক হেনস্তার প্রয়াস কেন?

আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক নিখিল নির্মল যে ভাবে থানার মধ্যে ডুকে এক অভিযুক্ত যুবককে বেদম প্রহার করেছেন,তার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হতেই রাজ্য জুড়ে আলিপুর দুয়ারের জেলাশাসের বিরুদ্ধে আইন ভাঙার অভিযোগে সরব হয়ে উঠেছেন অনেকেই,তাঁকে ছুটিতে পাঠাতে বাধ্য হয়েছে সরকার।এরই মধ্যে ইঙ্গিত মিলতে শুরু করেছে কার মারফত ঐ ভিডিও ভাইরাল হল তা খুঁজে বার করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে প্রশাসন।স্থানীয় সাংবাদিকদের হেনস্তা করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানাচ্ছে newsbritant.com। পোর্টালটির রিপোর্ট অনুযায়ী পিনাকি চক্রবর্তী নামে ওই এলাকার এক সাংবাদিককে এ বিষয়ে মূল চক্রী বলে ধরে নিয়ে তাঁর বাড়িতে পুলিশ চড়াও হয়।তাঁকে বাড়িতে না পেয়ে থানায় দেখা করার ফরমানও জারি করা হয়েছে বলে খবর।স্থানীয় সাংবাদ সংগঠনগুলি পুলিশি এই জুলুমবাজির তীব্র নিন্দা করেছে,তারা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুশিয়ারিও দিয়ে রেখেছে।আমাদের প্রশ্ন কেন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নজর পড়বে?এই ভিডিও যদি কোন সাংবাদিক সামনে নিয়ে আসেন,আমরা মনে করি সে অত্যন্ত ভাল কাজ করেছেন,একজন শীর্ষ আমলার এরকম আইন বিরোধী কাজ সর্বসমক্ষে নিয়ে আসার জন্য সাংবাদিক হিসেবে তাঁর বাহবা পাওয়া উচিত।প্রশাসনের অন্দরে এমন বিষক্ত বিজ আছে ধরিয়ে দেবার জন্ন্য তো প্রশাসনেরও উচিত সেই সাংবাদিককে ধন্যবাদ দেওয়ার,তার বদলে প্রশাসন যদি ঐ সাংবাদিককে হেনস্তার রাস্তা নিতে চায়,তবে বুঝতে হবে প্রশাসনের ভেতরে এরকম কাজের সাফাই দিতে চাওয়া লোকের অভাব নেই,আর অনেক আইন ভাঙতে চাওয়া আমলা প্রশাসনের অন্দরে থেকে গেছে।তাই সকলকে সতর্ক থাকতে হবে,আমরা সাংবাদিক নিগ্রহের এই প্রয়াসের নিন্দা করছি,অবিলম্বে এই প্রয়াস বন্ধ করতে সমস্ত সাংবাদিদের সম্মিলিত প্রতিবাদের দাবিও তুলছি।যদি ঐ ভিডিওটি ফেক বা জাল হত তা হলে আমরা তার চরম নিন্দা করতে পিছপা হতাম না,কিন্তু এক্ষেত্রে একটা সত্য সামনে তুলে আনার কারিগর যদি কোন সাংবাদিক হয়ে থাকেন আমরা দুহাত তুলে তাকে বাহবা দিতে চাইবো,তাঁর পাশে সকলকে দাঁড়াতেও আবেদন করবো।