মিডডে মিলের খাবারে সাপ!

মহারাষ্ট্রের নানদেরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের মিডডে মিলের খিচুড়ি দেওয়ার সময় খিচুড়ির পাত্রে সাপ রয়েছে লক্ষ্য করেন স্কুলের কর্মী। সঙ্গে সঙ্গে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে অাসার পর রুটিন তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে মিডডে মিলের খাবারে সাপ বা টিকটিকি থাকার বিষয়টি নতুন ঘটনা নয়। ২০১৭ সালে দিল্লির কাছে ফরিদাবাদে একটি সরকারি স্কুলে মিড-ডে মিলে দেওয়া খাবারে মিলেছিল মরা সাপ। সেই খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন কয়েকজন ছাত্রী। ওই স্কুলে মিড ডে মিল সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে iskon। iskon এর তরফে দায় ঝেড়ে ফেলে সব দোষ স্কুলের ঘাডেই চাপান হয় সেবার। iskon জানিয়েছে তাদের খাবার তৈরি হয় অত্যন্ত স্বাস্থ্য সম্মত পরিচ্ছন্ন পরিবেশে। স্কুলে তারা  ভাল খাবারই দিয়েছিলেন। স্কুল ওই খাবার খোলা রাখায় সেখানে মরা সাপ পাওয়া গেছে। তবে মহারাষ্ট্র বা দিল্লি নয় দেশের সর্বত্র মিড ডে মিলে খাবার তৈরি বা পরিবেশন নিয়ে নানা ত্রুটি প্রায়শই সামনে অাসে। তবে তার সমাধানে খুব একটা উত্সাহ দেখা যায় না প্রশাসন বা সরকারের তরফে। এই খুদে পড়ুয়ারা তো অার ভোটার নয়!