মোদি বনাম মমতা সংঘাত কি হিসেব কষেই?

0
11

চিটফান্ড কেলেঙ্কারির সিবিঅাই তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে অাগেই। ৫ বছর ধরে তদন্ত হলেও অাজও দোষীদের সাজা দেওয়া গেল না। এরাজ্যের চিটফান্ড তদন্তে মাঝে মধ্যে সিবিঅাই সক্রিয়তা লক্ষ করা গেলেও ৫০ হাজার কোটি টাকার পিএসিএল চিটফান্ডের তদন্তে কিছুই শোনা যায় না। তবে বিরোধীরা দিদিভাই মোদিভাই বলে কটাক্ষও করেছেন।এক সময় শোনা গিয়েছিল তৃণমূলের একদা নম্বরটুকে গ্রেফতার করতে পারে সিবিঅাই। হঠাত্ তিনি দলবদল করেন। তৃণমূলের একাধিক নেতা মন্ত্রীকে সিবিঅাই জেলে পুড়েছিল। রাজ্যের শাসকদল তার নেত্রীর উপর চাপ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু কোনবারই তেমন কিছু ঘটেনি যা রবিবার কলকাতা পুলিস কমিশনারের বাড়িতে সিবিঅাই হানার পর গঠল। তাহলে কি দিদিভাই মোদি ভাইয়ের মধ্যে সংঘাত চূড়ান্ত। অথচ কয়েকদিন অাগে রাজ্য বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ মমতার জন্মদিন উপলক্ষে বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যার যোগ্যতা রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। তাহলে কি অাগামী লোকসভা ভোটের অাগে তৃণমূলকে শেষ লগ্নেও শিবিরে টানতে চেয়েছিল বিজেপি, বা কংগ্রেস থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিল তারা। তা হয়নি বলে কি সিবিঅাইকে ব্যবহার করে মমতাকে প্যাঁচে ফেলতে চাইছে বিজেপি? নাকি চিটফান্ডে অারো কোন বড় কাউকে বাঁচাতেই রাজীব কুমার ইস্যুতে রাস্তায় নামলেন মমতা? নাকি ২০১৯ এর প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নিজেকে এগিয়ে রাখতেই স্পটলাইটে থাকতে চাইছেন মমতা? এই সব জল্পনা অারো বেশ কয়েকদিন ধরেই চলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার কাছাকাছি রাজ্যে কেন বিরোধী দল বা নেতারা নেই। তাহলে এত বড় সংঘাতে গেলেন কেন মমতা ? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন অনেকেই।