প্রধানমন্ত্রীর সভায় বিশৃঙ্খলা আহত বেশ কয়েকজন

ঠাকুরনগরে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে বিশৃঙ্খলার জেরে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।শনিবার মতুয়া সম্প্রদায়ের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ঠাকুরনগরে আসাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর চলছিল।তৃণমূলের অভিযোগ মতুয়াদের প্রধান বড়মা বীণাপানি দেবীর সঙ্গে দেখা করার নামে মোদি মতুয়াদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি করতে আসছেন,অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য ছিল তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে মতুয়াদের সমস্যাকে তুলে ধরে সামাধানের আশ্বাস পেতেই প্রধানমন্ত্রীকে বড়মার সঙ্গে দেখা করাতে সচেষ্ট।এই উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার ঠাকুরনগরে প্রধানমন্ত্রীর সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী মতুয়াদের বড়মা বীণাপানির সঙ্গে দেখাও করে যান। ঠাকুরনগ,রে সভা চলাকালীন ভিড়ে উপচে পড়তে থাকে,সকলেই সামনের দিকে এগুতে চাইলে তুমুল বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়,সভা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ।চেয়ার ছোড়াছুড়ি শুরু হয়ে যায়,আহত হন বেশ কয়েকজন।প্রধানমন্ত্রীকেও বিশৃঙ্খলা থামাতে আবেদন করতে শোনা যায়।আহত বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই ঘটনায় যে প্রশ্ন সামনে আসছে তা হল,যে রাজনৈতিক দল সভাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে না তারা কেন এরকম সভার আয়োজন করে।এতে মানুষের মৃত্যু মিছিল তৈরি হলে তার দায় কে নেবে?তবে এ প্রশ্ন নিয়ে যে এদেশের কোন রাজনৈতিক দলেরই কোন মাথা ব্যথা নেই তা বেশ বোঝা যায় তাদের একই কাজ বার বার করতে থাকা দেখে।।সাধারণ মানুষকে সব দলই দাবাড় বড়ে বলেই মনে করে।তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ করেন তখন তাঁরও মনে থাকে না,সেই রাজনীতি তিনিও করেন,করে চলেছেন।মতুয়াদের নিয়ে রাজনীতি করেই মমতা মতুয়া পরিবারের একজনকে নিজের দলের সাংসদ বানিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী সেই রাজনীতিতে থাবা বসাতে এসেছেন বলেই তাঁর এত উষ্মা।সবাই সাধারণ মানুষকে বোকা বানাতে চান,অসহায় মানুষ বোকা বনতেই থাকেন।প্রধানমন্ত্রীর সভায় গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মানুষজন আসলে তাদের বোকামির মাসুল গুনছেন।এদেশের কলুষিত রাজনীতি থেকে সাধারণ মানুষের বোধহয় এটাই একমাত্র প্রাপ্তি।